হুমায়ুন আহমেদঃ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা লোটাস জোয়ার্দারের দায়িত্বে ফেরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। বৃহস্পতিবার সকালেই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল থেকে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
ছাত্রদলের দাবি, তাদের এক কর্মীকে ইউনিয়ন পরিষদে আটকে রাখা হয়েছে—এমন খবর পেয়ে নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে চেয়ারম্যানের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে তাদের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংঘর্ষের সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে আলমডাঙ্গা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিথার নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়।
সমাবেশে মোমিন মালিথা অভিযোগ করে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এর সঙ্গে চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠরা জড়িত।” তিনি দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) হোসেন আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে ঘটনার বিষয়ে আওয়ামী লীগ বা চেয়ারম্যান লোটাস জোয়ার্দারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল 
হুমায়ুন আহমেদ, আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

















