ফরিদপুরের নগরকান্দায় কলেজের দুই শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক শিক্ষক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রবিবার (২০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মনোহরপুর এম এ শাকুর মহিলা কলেজে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিক্ষক হলেন, ঐ কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফরহাদ হোসেন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক অমিতাব সাহা। জানাগেছে, রবিবার দুপুরে কলেজের শিক্ষকদের মিটিং চলছিল। মিটিংয়ে শিক্ষকদের মতের মিল না হওয়ায় হট্টগোল বাঁধে। এমন সময় শিক্ষক অমিতাব সাহা শিক্ষক ফরহাদ হোসেনকে চোখ বরাবর স্বজোরে ঘুষি মারেন। এতে ফরহাদের চোখ ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। আহত অবস্থায় কলেজের অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকেরা ফরহাদ হোসেনকে ফরিদপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। মোবাইল ফোনে ফরহাদ হোসেন বলেন, মিটিং চলাকালীন সময়ে শিক্ষকদের মতের মিল না হওয়ায় একটু হট্টগোল হয়। এমন সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অমিতাব সাহা আমার চোখ বরাবর ঘুষি মারেন। অমিতাব সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উল্টো ফরহাদ হোসেন কলেজের ঘন্টা দেয়ার হাতুরী দিয়ে আমার হাত ও মাথায় বাড়ি মারে। আমি হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে হাতে ব্যাথা পাই। এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ডঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। ঘটনা শুনে দুইজন সদস্যকে দায়িত্ব দিয়েছি তদন্ত করার জন্য। তদন্ত রিপোর্ট পেয়ে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফরিদপুরের নগরকান্দায় কলেজের দুই শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক শিক্ষক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রবিবার (২০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মনোহরপুর এম এ শাকুর মহিলা কলেজে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিক্ষক হলেন, ঐ কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফরহাদ হোসেন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক অমিতাব সাহা।
জানাগেছে, রবিবার দুপুরে কলেজের শিক্ষকদের মিটিং চলছিল। মিটিংয়ে শিক্ষকদের মতের মিল না হওয়ায় হট্টগোল বাঁধে। এমন সময় শিক্ষক অমিতাব সাহা শিক্ষক ফরহাদ হোসেনকে চোখ বরাবর স্বজোরে ঘুষি মারেন। এতে ফরহাদের চোখ ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। আহত অবস্থায় কলেজের অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকেরা ফরহাদ হোসেনকে ফরিদপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মোবাইল ফোনে ফরহাদ হোসেন বলেন, মিটিং চলাকালীন সময়ে শিক্ষকদের মতের মিল না হওয়ায় একটু হট্টগোল হয়। এমন সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অমিতাব সাহা আমার চোখ বরাবর ঘুষি মারেন।
অমিতাব সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উল্টো ফরহাদ হোসেন কলেজের ঘন্টা দেয়ার হাতুরী দিয়ে আমার হাত ও মাথায় বাড়ি মারে। আমি হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে হাতে ব্যাথা পাই।
এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি।
কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ডঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। ঘটনা শুনে দুইজন সদস্যকে দায়িত্ব দিয়েছি তদন্ত করার জন্য। তদন্ত রিপোর্ট পেয়ে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।