কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের গোডাউন করাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপি'র দু'গ্রুপের সংঘর্ষ হয়।এতে কবির ভূঁইয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। বুধবার সকালে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ও কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে নিহত কবির ভুইয়া উপজেলার ছাগলদি গ্রামের আবুল বসার ভূঁইয়ার ছেলে। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার নগরকান্দায় শহিদুল ইসলাম বাবুলন্দায় শো-ডাউন করার কথা ছিল। এ উপলক্ষে সকালে বাবুলের শতাধিক সমর্থকেরা নগরকান্দা প্রবেশদ্বার কুমার নদের ব্রিজের পাশে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছিল। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে রিংকুর কয়েক হাজার সমর্থকরা জড়ো হয়ে হামলা চালায়। এতে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাদে। পরে বাবুল সমর্থকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে নগরকান্দায় রিংকুর সমর্থকদের মিছিল করতে দেখা গেছে। পরে এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করে। আরও পড়ুনঃ খোকসায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কাঁদানে গ্যাসে আক্রান্ত মাহিম এর১৬ দিন পর মৃত্যু নগরকান্দা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের গোডাউন করাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপি’র দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়।এতে কবির ভূঁইয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার সকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ও কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে নিহত কবির ভুইয়া উপজেলার ছাগলদি গ্রামের আবুল বসার ভূঁইয়ার ছেলে। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার নগরকান্দায় শহিদুল ইসলাম বাবুলন্দায় শো-ডাউন করার কথা ছিল। এ উপলক্ষে সকালে বাবুলের শতাধিক সমর্থকেরা নগরকান্দা প্রবেশদ্বার কুমার নদের ব্রিজের পাশে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছিল। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে রিংকুর কয়েক হাজার সমর্থকরা জড়ো হয়ে হামলা চালায়। এতে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাদে। পরে বাবুল সমর্থকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে নগরকান্দায় রিংকুর সমর্থকদের মিছিল করতে দেখা গেছে। পরে এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করে।
নগরকান্দা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।