জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের পুলিশ মহাপরিদর্শকের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ এই কর্মকর্তার বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। বিশেষ করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ার সংক্রান্ত এই মন্তব্য সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি করে। ফলে বিষয়টি নিয়ে জনপরিসরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
পুলিশ প্রধানের ওই বক্তব্যের পরপরই দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, এ ধরনের বক্তব্য আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী। তারা অবিলম্বে এই মন্তব্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেন। একই সঙ্গে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কঠোর আহ্বান জানানো হয়।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পাশাপাশি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রধানকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি তোলা হয়। এমনকি তার পদত্যাগ বা অপসারণের দাবিও জোরালোভাবে উত্থাপন করেন রাজনৈতিক নেতারা। তাদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সমাজে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে এবং বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
চারদিক থেকে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, আইজিপির বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে অথবা তার প্রকৃত অর্থ ভিন্ন ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে পুলিশের অবস্থান সবসময় ইতিবাচক রয়েছে বলে জানানো হয়। তবে এই ব্যাখ্যা বিতর্কের আগুনে পানি ঢালতে কতটা সফল হয়েছে, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 





















