ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

টিভি লাইভে খুন হলেন ভারতের সাবেক রাজনীতিক

ভারতের সাবেক রাজনীতিক আতিক আহমেদ ও তার ভাইকে টিভিতে লাইভ চলাকালীন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কাছ থেকে তাদের গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের। শনিবার রাতে ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ শহরে এ ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির।

ভিডিওতে দেখা যায়, হাতকড়া থাকা অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন উত্তর প্রদেশের সাবেক সাংসদ আতিক ও তার ভাই আশরাফ। লাইভ চলাকালীন গুলি চালানো হয় তাদের ওপর। হাজত থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পথে ঘটে এ ঘটনা।

ঘটনাটির তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

খুন, অপহরণসহ শতাধিক মামলার আসামি ছিলেন আতিক। ২০০৬ সালে উমেষ পাল নামক এক ব্যক্তিকে অপহরণের দায়ে ভাইসহ জেল খাটছিলেন তিনি। একটি হত্যা মামলার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন এই উমেষ।

গুজরাটের সবরমাটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ২৬ মার্চ তাদেরকে প্রয়াগরাজ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। আতিক আহমেদসহ আরও দুজনকে ২৮ মার্চ এ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ঘটনার দায় স্বীকার করে সাংবাদিক সেজে থাকা ৩ ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করলে, তাদের হাজতে নেওয়া হয়। এক পুলিশ সদস্য এবং এক সাংবাদিক আহত হয়েছেন এ ঘটনায়।

মিথ্যা মামলায় তাকে ও তার পরিবারকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন আতিক। উত্তর প্রদেশের পুলিশ চক্রান্ত করে তাকে মেরে ফেলতে পারে বলে সুপ্রিম কোর্টে জীবনের নিরাপত্তার জন্য আবেদনও করেছিলেন তিনি।

কিছুদিন আগে পুলিশের গুলিতে মারা যায় আতিক আহমেদের ছেলে। লাইভে আতিক আহমেদকে জিজ্ঞেস করা সর্বশেষ প্রশ্নটি ছিল- ছেলের শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন কি না।

জবাবে তিনি বলেন, ‘পুলিশ আমাদের যেতে দেয়নি, তাই যেতে পারিনি।’

এরপরই গুলিতে মারা যান তিনি।

পুলিশ ও মিডিয়ার সামনে থেকে কিভাবে একজনকে হত্যা করতে পারে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এলাকাটির অবস্থা এখন প্রায় লকডাউনের মতো।

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসির অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর

error: Content is protected !!

টিভি লাইভে খুন হলেন ভারতের সাবেক রাজনীতিক

আপডেট টাইম : ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ :

ভারতের সাবেক রাজনীতিক আতিক আহমেদ ও তার ভাইকে টিভিতে লাইভ চলাকালীন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কাছ থেকে তাদের গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের। শনিবার রাতে ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ শহরে এ ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির।

ভিডিওতে দেখা যায়, হাতকড়া থাকা অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন উত্তর প্রদেশের সাবেক সাংসদ আতিক ও তার ভাই আশরাফ। লাইভ চলাকালীন গুলি চালানো হয় তাদের ওপর। হাজত থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পথে ঘটে এ ঘটনা।

ঘটনাটির তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

খুন, অপহরণসহ শতাধিক মামলার আসামি ছিলেন আতিক। ২০০৬ সালে উমেষ পাল নামক এক ব্যক্তিকে অপহরণের দায়ে ভাইসহ জেল খাটছিলেন তিনি। একটি হত্যা মামলার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন এই উমেষ।

গুজরাটের সবরমাটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ২৬ মার্চ তাদেরকে প্রয়াগরাজ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। আতিক আহমেদসহ আরও দুজনকে ২৮ মার্চ এ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ঘটনার দায় স্বীকার করে সাংবাদিক সেজে থাকা ৩ ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করলে, তাদের হাজতে নেওয়া হয়। এক পুলিশ সদস্য এবং এক সাংবাদিক আহত হয়েছেন এ ঘটনায়।

মিথ্যা মামলায় তাকে ও তার পরিবারকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন আতিক। উত্তর প্রদেশের পুলিশ চক্রান্ত করে তাকে মেরে ফেলতে পারে বলে সুপ্রিম কোর্টে জীবনের নিরাপত্তার জন্য আবেদনও করেছিলেন তিনি।

কিছুদিন আগে পুলিশের গুলিতে মারা যায় আতিক আহমেদের ছেলে। লাইভে আতিক আহমেদকে জিজ্ঞেস করা সর্বশেষ প্রশ্নটি ছিল- ছেলের শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন কি না।

জবাবে তিনি বলেন, ‘পুলিশ আমাদের যেতে দেয়নি, তাই যেতে পারিনি।’

এরপরই গুলিতে মারা যান তিনি।

পুলিশ ও মিডিয়ার সামনে থেকে কিভাবে একজনকে হত্যা করতে পারে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এলাকাটির অবস্থা এখন প্রায় লকডাউনের মতো।