ঢাকা , সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

জন্ম থেকেই একটি কিডনি, সেটিও ৯৪ শতাংশ অচলঃ বাঁচতে চান অংকন

গোলাম মোর্তবা সিকদার রিজুঃ
‎
‎জন্ম থেকেই শরীরে একটি কিডনি—এ কথা জানতেনই না অংকন দেবনাথ (২৭)। স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠেছেন, পড়াশোনা করেছেন, চাকরি করে পরিবারের হালও ধরেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর শরীরে জন্ম থেকেই রয়েছে মাত্র একটি কিডনি। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই একমাত্র কিডনিটিও বর্তমানে প্রায় ৯৪ শতাংশ অকার্যকর।

‎
‎শুধু কিডনির সমস্যাই নয়, অংকনের হৃদ্‌যন্ত্রে দুটি ছিদ্র এবং লিভার ও ফুসফুসেও জটিলতা ধরা পড়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। শারীরিক নানা জটিলতায় এখন প্রতিনিয়ত শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন তিনি। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব।

‎
‎অংকন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরকান্দি গ্রামের ওয়াজিদ দেবনাথ ও দুপালী দেবনাথ দম্পতির ছেলে।

‎
‎অভাব-অনটনের মধ্যেও অংকন এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। পরে ফরিদপুর শহরের একটি কসমেটিকসের শোরুমে চাকরি নেন। নিজের আয় দিয়ে বাবা-মায়ের সংসারে সহযোগিতা করতেন। পরিবারের স্বপ্ন ছিল, একদিন অংকন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন থমকে গেছে কঠিন অসুস্থতার কাছে।

‎
‎অংকনের মা দুপালী দেবনাথ ছেলের চিকিৎসা নিয়ে দিশেহারা। একদিকে সন্তানের জীবন বাঁচানোর আকুতি, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল খরচ—সব মিলিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তিনি। ছেলের সুস্থতার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছেন সকাল-সন্ধ্যা।

‎
‎পরিবারের দাবি, অংকনের চিকিৎসায় আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে। দিন এনে দিন খাওয়া এই পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

‎
‎অংকন বলেন, “আমি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে চাই। সামর্থ্যবান মানুষদের সহযোগিতা পেলে হয়তো আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব।”

‎
‎অংকনের পরিবার এখন সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী, মানবিক সংগঠন ও সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা কামনা করছে। একটি পরিবারের কাছে ২৫-৩০ লাখ টাকা হয়তো বিশাল অঙ্ক; কিন্তু অনেক মানুষের সামান্য সহযোগিতা একত্রিত হলে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অংকনের নতুন জীবনের আশার আলো।

‎
‎অংকন দেবনাথকে বাঁচাতে আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে একটি পরিবারের জন্য বড় আশীর্বাদ।

‎
‎স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রাকিবুল ইসলাম বলেন, সমাজের অনেক বৃত্তশীল ব্যক্তিরা রয়েছেন অংকনের পাশে একটু সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন সমাজের বৃত্তশীল ব্যক্তিরা তাহলে হয়তো এই ছেলেটির জীবন বেঁচে যেতে পারে। এক সময় অংকনকে আমি দেখেছি ভালো ছেলে লেখা করেছিল এবং স্বপ্ন ছিল তার অনেক বড় কিছু করবে মা বাবার জন্য হয়তো রোগে আজ তার জীবন অচল তাই সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা রয়েছেন আমি আবারো আহবান করব একটু এগিয়ে আসবেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জন্ম থেকেই একটি কিডনি, সেটিও ৯৪ শতাংশ অচলঃ বাঁচতে চান অংকন

error: Content is protected !!

জন্ম থেকেই একটি কিডনি, সেটিও ৯৪ শতাংশ অচলঃ বাঁচতে চান অংকন

আপডেট টাইম : ২ ঘন্টা আগে
গোলাম মোর্তবা সিকদার রিজু, বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি :

গোলাম মোর্তবা সিকদার রিজুঃ
‎
‎জন্ম থেকেই শরীরে একটি কিডনি—এ কথা জানতেনই না অংকন দেবনাথ (২৭)। স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠেছেন, পড়াশোনা করেছেন, চাকরি করে পরিবারের হালও ধরেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর শরীরে জন্ম থেকেই রয়েছে মাত্র একটি কিডনি। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই একমাত্র কিডনিটিও বর্তমানে প্রায় ৯৪ শতাংশ অকার্যকর।

‎
‎শুধু কিডনির সমস্যাই নয়, অংকনের হৃদ্‌যন্ত্রে দুটি ছিদ্র এবং লিভার ও ফুসফুসেও জটিলতা ধরা পড়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। শারীরিক নানা জটিলতায় এখন প্রতিনিয়ত শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন তিনি। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব।

‎
‎অংকন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরকান্দি গ্রামের ওয়াজিদ দেবনাথ ও দুপালী দেবনাথ দম্পতির ছেলে।

‎
‎অভাব-অনটনের মধ্যেও অংকন এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। পরে ফরিদপুর শহরের একটি কসমেটিকসের শোরুমে চাকরি নেন। নিজের আয় দিয়ে বাবা-মায়ের সংসারে সহযোগিতা করতেন। পরিবারের স্বপ্ন ছিল, একদিন অংকন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন থমকে গেছে কঠিন অসুস্থতার কাছে।

‎
‎অংকনের মা দুপালী দেবনাথ ছেলের চিকিৎসা নিয়ে দিশেহারা। একদিকে সন্তানের জীবন বাঁচানোর আকুতি, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল খরচ—সব মিলিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তিনি। ছেলের সুস্থতার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছেন সকাল-সন্ধ্যা।

‎
‎পরিবারের দাবি, অংকনের চিকিৎসায় আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে। দিন এনে দিন খাওয়া এই পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

‎
‎অংকন বলেন, “আমি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে চাই। সামর্থ্যবান মানুষদের সহযোগিতা পেলে হয়তো আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব।”

‎
‎অংকনের পরিবার এখন সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী, মানবিক সংগঠন ও সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা কামনা করছে। একটি পরিবারের কাছে ২৫-৩০ লাখ টাকা হয়তো বিশাল অঙ্ক; কিন্তু অনেক মানুষের সামান্য সহযোগিতা একত্রিত হলে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অংকনের নতুন জীবনের আশার আলো।

‎
‎অংকন দেবনাথকে বাঁচাতে আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে একটি পরিবারের জন্য বড় আশীর্বাদ।

‎
‎স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রাকিবুল ইসলাম বলেন, সমাজের অনেক বৃত্তশীল ব্যক্তিরা রয়েছেন অংকনের পাশে একটু সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন সমাজের বৃত্তশীল ব্যক্তিরা তাহলে হয়তো এই ছেলেটির জীবন বেঁচে যেতে পারে। এক সময় অংকনকে আমি দেখেছি ভালো ছেলে লেখা করেছিল এবং স্বপ্ন ছিল তার অনেক বড় কিছু করবে মা বাবার জন্য হয়তো রোগে আজ তার জীবন অচল তাই সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা রয়েছেন আমি আবারো আহবান করব একটু এগিয়ে আসবেন।