চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র আইনে দায়ের করা একটি মামলায় আলামিন খন্দকার (২৫) ও মজিবুর রহমান ওরফে ধুলা (৪১) নামে দুজনকে যাবজ্জীবন ও দশ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আদেশে উল্লেখ করা হয়, মামলায় একটি ধারায় প্রদত্ত সাজা ভোগের পর অপর সাজা ধারাবাহিকভাবে ভোগ করতে হবে। বুধবার (১৪ জুন) বিকেল ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহা. আদীব আলী আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন। দন্ডিত আলামিন পাবনার ঈশ্বরদীর আথাইল শিমুল গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে ও মজিবুর শিবগঞ্জ উপজেলার আজমতপুর হুদমাপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম বলেন, ২০১৯ সালের ৮ অক্টোবর রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ধোবড়া এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় সাতটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ওয়ান শুটারগান, ৪০ রাউন্ড গুলি ও ১৩টি ম্যাগজিনসহ গ্রেপ্তার হয় আলামিন। এ সময় মজিবুর পালিয়ে যায়। আরও পড়ুনঃ রেকর্ড ৩.৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি বিশ্বব্যাংকের এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের এসআই ইউসুফ আলী ভুইয়া দু'জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র্যাব ক্যাম্পের এসআই তোফাজ্জল হোসেন ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারী উভয়কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র আইনে দায়ের করা একটি মামলায় আলামিন খন্দকার (২৫) ও মজিবুর রহমান ওরফে ধুলা (৪১) নামে দুজনকে যাবজ্জীবন ও দশ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, মামলায় একটি ধারায় প্রদত্ত সাজা ভোগের পর অপর সাজা ধারাবাহিকভাবে ভোগ করতে হবে।
বুধবার (১৪ জুন) বিকেল ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহা. আদীব আলী আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন।
দন্ডিত আলামিন পাবনার ঈশ্বরদীর আথাইল শিমুল গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে ও মজিবুর শিবগঞ্জ উপজেলার আজমতপুর হুদমাপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম বলেন, ২০১৯ সালের ৮ অক্টোবর রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ধোবড়া এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় সাতটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ওয়ান শুটারগান, ৪০ রাউন্ড গুলি ও ১৩টি ম্যাগজিনসহ গ্রেপ্তার হয় আলামিন।
এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের এসআই ইউসুফ আলী ভুইয়া দু’জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র্যাব ক্যাম্পের এসআই তোফাজ্জল হোসেন ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারী উভয়কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।