চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযানে সাত লক্ষ টাকার জাল ধ্বংস ও জরিমানা অদায়
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জাটকা নিধোন বন্ধে পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা কবির ত্রপা।অভিযানে তিন জেলেকে বারো হাজার টাকা জরিমানা করা সহ প্রায় সাত লক্ষ টাকার অবৈধ জাল ধ্বংস ও ত্রিশ কেজি জাটাকা জব্দ করা হয়। অভিযানে উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্য শালেপুর গ্রামের কালাম খানের পূত্র আরোজ খান(৩২) কে দুই হাজার,বগুরা জেলার সোনাতলা গ্রামের হরিবালা মন্ডলের ছেলে ফনিন্দ্র মন্ডল(৩৯) কে পাঁচ হাজার ও জামালপুর জেলার কলা পাড়া গ্রামের আমান আলী হোসেনের পূত্র রাসেল মাহমদু(৩২) কে পাঁচ হাজার টাকাসহ মোট বারো হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ হতে জাটকা নিধনে ব্যবহৃত প্রায় ৬লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ দুটি কোনা জাল এবং এক লক্ষাধিক টাকা মূল্যের তিনটি কারেন্ট জাল এবং ৩০ কেজি জাটকা মাছ পাওয়া যায়। অবৈধ জাল গোপালপুর ঘাট এলাকায় এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জব্দকৃত মাছ স্থানীয় হাজিডাঙ্গী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরন করা হয়। অভিযান কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসান,থানা উপ-পরিদর্শক সৈয়দ আওলাদ হোসেন ও ক্ষেত্র সহকারী শামীম আরেফিন প্রমূখ।
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জাটকা নিধোন বন্ধে পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা কবির ত্রপা।অভিযানে তিন জেলেকে বারো হাজার টাকা জরিমানা করা সহ প্রায় সাত লক্ষ টাকার অবৈধ জাল ধ্বংস ও ত্রিশ কেজি জাটাকা জব্দ করা হয়।
অভিযানে উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্য শালেপুর গ্রামের কালাম খানের পূত্র আরোজ খান(৩২) কে দুই হাজার,বগুরা জেলার সোনাতলা গ্রামের হরিবালা মন্ডলের ছেলে ফনিন্দ্র মন্ডল(৩৯) কে পাঁচ হাজার ও জামালপুর জেলার কলা পাড়া গ্রামের আমান আলী হোসেনের পূত্র রাসেল মাহমদু(৩২) কে পাঁচ হাজার টাকাসহ মোট বারো হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া তাদের কাছ হতে জাটকা নিধনে ব্যবহৃত প্রায় ৬লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ দুটি কোনা জাল এবং এক লক্ষাধিক টাকা মূল্যের তিনটি কারেন্ট জাল এবং ৩০ কেজি জাটকা মাছ পাওয়া যায়।
অবৈধ জাল গোপালপুর ঘাট এলাকায় এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জব্দকৃত মাছ স্থানীয় হাজিডাঙ্গী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরন করা হয়।
অভিযান কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসান,থানা উপ-পরিদর্শক সৈয়দ আওলাদ হোসেন ও ক্ষেত্র সহকারী শামীম আরেফিন প্রমূখ।