ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর বাজারে শুক্রবার সকালে ২৪ কেজি ওজনের দুটি বোয়াল মাছ বিক্রি হয়েছে ত্রিশ হাজার টাকায়। সকালে এই মাছ দুটি দেখতে উৎসুক জনতার পাশাপাশি ক্রেতাদের ভীড় ছিল লক্ষনীয়। স্থানীয় মাছ ব্যাবসায়ী রিপন মন্ডল এই মাছ দুটি জেলেদের নিকট হতে ২৮হাজার টায় কিনে তার ডলায় রেখে বিক্রি করেন। রিপন জানায় চায়না দোয়ারীতে ধরা পরা ১৩ কেজি ওজনের বোয়াল মাছটি সদরপুর আকটেরচর ইউনয়নের এক জেলের নিকট হতে সারে পনেরো হাজার টাকায় ও হাজারি বরশি দিয়ে ধরা ১১ কেজি ওজনের বোয়াল উপজেলার হাজিগঞ্জ বাজারের এক জেলের নিকট হতে সারে বারো হাজার টাকায় কিনেছি। বড় মাছটি ১৭হাজার ও অন্যটি ১৩ হাজার টাকা বিক্রি করে তার দুই হাজার টাকা লাভ হয়েছে বলে জানায় রিপন।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসান বলেন পদ্মা নদীতে মাঝে মধ্যেই জেলেদের জালে বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ার সংবাদ পাওয়া যায়। আরও পড়ুনঃ সালথায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করা সেই তরুণীর বিয়ে এটা আমাদের জন্য একটি সুসংবাদ বটে।তাছাড়া মাছের বংশ বিস্তার ও বড় হওযার লক্ষে সরাকারিভাবে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর বিভিন্ন সময়ে নদীতে অভিযান পরিচালনা করে আড়াআড়ি বাঁধ,কারেন্ট জাল,কোনা জাল,বেরজাল ও চয়না দুয়ারী জব্দ ও ধ্বংশ করা হয়।এখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় এ সকল বড় মাছ বিভিন্ন স্থানে বিচরন করছে।চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ন নিষিদ্ধ...
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর বাজারে শুক্রবার সকালে ২৪ কেজি ওজনের দুটি বোয়াল মাছ বিক্রি হয়েছে ত্রিশ হাজার টাকায়। সকালে এই মাছ দুটি দেখতে উৎসুক জনতার পাশাপাশি ক্রেতাদের ভীড় ছিল লক্ষনীয়।
স্থানীয় মাছ ব্যাবসায়ী রিপন মন্ডল এই মাছ দুটি জেলেদের নিকট হতে ২৮হাজার টায় কিনে তার ডলায় রেখে বিক্রি করেন।
রিপন জানায় চায়না দোয়ারীতে ধরা পরা ১৩ কেজি ওজনের বোয়াল মাছটি সদরপুর আকটেরচর ইউনয়নের এক জেলের নিকট হতে সারে পনেরো হাজার টাকায় ও হাজারি বরশি দিয়ে ধরা ১১ কেজি ওজনের বোয়াল উপজেলার হাজিগঞ্জ বাজারের এক জেলের নিকট হতে সারে বারো হাজার টাকায় কিনেছি।
বড় মাছটি ১৭হাজার ও অন্যটি ১৩ হাজার টাকা বিক্রি করে তার দুই হাজার টাকা লাভ হয়েছে বলে জানায় রিপন।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসান বলেন পদ্মা নদীতে মাঝে মধ্যেই জেলেদের জালে বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ার সংবাদ পাওয়া যায়।
এটা আমাদের জন্য একটি সুসংবাদ বটে।তাছাড়া মাছের বংশ বিস্তার ও বড় হওযার লক্ষে সরাকারিভাবে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর বিভিন্ন সময়ে নদীতে অভিযান পরিচালনা করে আড়াআড়ি বাঁধ,কারেন্ট জাল,কোনা জাল,বেরজাল ও চয়না দুয়ারী জব্দ ও ধ্বংশ করা হয়।এখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় এ সকল বড় মাছ বিভিন্ন স্থানে বিচরন করছে।চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ন নিষিদ্ধ বলেও জান এই মত্স্য কর্মকর্তা।