ঢাকা , সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

গোপালগঞ্জে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হলো দরিদ্র পরিবার

মুন্সী সাদেকুর রহমান শাহীনঃ

 

গভীর রাতে আগুনে ঘরবাড়ি পুড়ে সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে দরিদ্র একটি পরিবার। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই ওই পরিবারটির। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় আগুনে বশীভূত হয়ে পরিবারটির কমপক্ষে ২০লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত সাত সদস্যের ওই পরিবারটির খাবার খাওয়া ও রাত্রি যাপনের বিষয়টিও রয়েছে অনিশ্চিয়তার মধ্যে।

 

ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের উত্তর পাড়া গ্ৰামে। ভয়াবহ এই আগুনের তান্ডব সম্পর্কে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবার, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ ও এলাকাবাসী আগুন লাগার সূত্রপাত বিষয়ে কোনো ধারনা দিতে পারেনি। এলাকার সাধারণ মানুষ দলে দলে এসে সমবেদনা জানিয়েই চলে যাচ্ছেন নিজ নিজ গৃহে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের চোখে মুখে এক সাগর হতাশা বিরাজ করছে। সরজমিনে গিয়ে এমনটাই দেখা গেছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান জয়তুন বেগমের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শনিবার ৩ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার সময় হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায়, তখন বসত ঘরের পাশে থাকা কাছারি ঘরে আগুন দেখতে পান। কোন কিছুই বুঝে ওঠার আগেই বসত ঘরসহ রান্না ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় তার ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে এবং আগুন নিভানোর চেষ্টা করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে না এসে গতি বাড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসে ফোন করা হয়।

 

গোপালগঞ্জ শহর থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে আসতে বসতঘরসহ তিনটি ঘরই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এখন আমরা দিশেহারা, আমাদের কোন খাওয়ার ব্যবস্থা নেই, রাতে মাথা গোঁজারও কোন স্থান নেই। আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আমার ছেলে মামুন মোল্লা ছেলেটাও অনেক ভেঙ্গে পড়েছে। এখন আমাদের সরকারি সাহায্য ছাড়া পুনরায় ঘরবাড়ি তৈরি করার কোন আর্থিক সক্ষমতা নেই। আমি সরকারের কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সাহায্য চাই।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কৌশিক আহাম্মেদ বলেন, ওই মর্মান্তিক আগুনে ঘরবাড়ি পোড়ার ঘটনাটি জেনেছি। আমি খুবই মর্মাহত। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে আবেদন পাঠানোর ব্যবস্থা নিব। আশা করছি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার খুব অল্প সময়ের মধ্যে সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত হবেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাংশায় অষ্টাদশপল্লী সর্বজনীন পাগল আশ্রমের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

গোপালগঞ্জে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হলো দরিদ্র পরিবার

আপডেট টাইম : ৯ ঘন্টা আগে
মুন্সী সাদেকুর রহমান শাহীন, গোপালগঞ্জ ব্যুরো প্রধান :

মুন্সী সাদেকুর রহমান শাহীনঃ

 

গভীর রাতে আগুনে ঘরবাড়ি পুড়ে সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে দরিদ্র একটি পরিবার। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই ওই পরিবারটির। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় আগুনে বশীভূত হয়ে পরিবারটির কমপক্ষে ২০লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত সাত সদস্যের ওই পরিবারটির খাবার খাওয়া ও রাত্রি যাপনের বিষয়টিও রয়েছে অনিশ্চিয়তার মধ্যে।

 

ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের উত্তর পাড়া গ্ৰামে। ভয়াবহ এই আগুনের তান্ডব সম্পর্কে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবার, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ ও এলাকাবাসী আগুন লাগার সূত্রপাত বিষয়ে কোনো ধারনা দিতে পারেনি। এলাকার সাধারণ মানুষ দলে দলে এসে সমবেদনা জানিয়েই চলে যাচ্ছেন নিজ নিজ গৃহে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের চোখে মুখে এক সাগর হতাশা বিরাজ করছে। সরজমিনে গিয়ে এমনটাই দেখা গেছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান জয়তুন বেগমের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শনিবার ৩ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার সময় হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায়, তখন বসত ঘরের পাশে থাকা কাছারি ঘরে আগুন দেখতে পান। কোন কিছুই বুঝে ওঠার আগেই বসত ঘরসহ রান্না ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় তার ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে এবং আগুন নিভানোর চেষ্টা করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে না এসে গতি বাড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসে ফোন করা হয়।

 

গোপালগঞ্জ শহর থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে আসতে বসতঘরসহ তিনটি ঘরই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এখন আমরা দিশেহারা, আমাদের কোন খাওয়ার ব্যবস্থা নেই, রাতে মাথা গোঁজারও কোন স্থান নেই। আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আমার ছেলে মামুন মোল্লা ছেলেটাও অনেক ভেঙ্গে পড়েছে। এখন আমাদের সরকারি সাহায্য ছাড়া পুনরায় ঘরবাড়ি তৈরি করার কোন আর্থিক সক্ষমতা নেই। আমি সরকারের কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সাহায্য চাই।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কৌশিক আহাম্মেদ বলেন, ওই মর্মান্তিক আগুনে ঘরবাড়ি পোড়ার ঘটনাটি জেনেছি। আমি খুবই মর্মাহত। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে আবেদন পাঠানোর ব্যবস্থা নিব। আশা করছি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার খুব অল্প সময়ের মধ্যে সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত হবেন।