ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

গরুর দুধ: উপকার কতটা, ঝুঁকিই-বা কোথায়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দুধ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত হলেও এটি সবার শরীরের জন্য সমানভাবে উপকারী কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে আলোচনা চলছে। পুষ্টিবিদদের মতে, মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিসাধন এবং হাড়ের মজবুতি বজায় রাখতে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত দুধ পানের অভ্যাস শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান জোগাতে সাহায্য করে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে পুষ্টিবিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণায় দুধ পানের কিছু সম্ভাব্য নেতিবাচক দিকও সামনে এসেছে। বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, অতিরিক্ত পরিমাণে গরুর দুধ পান করলে নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অনেক মানুষের শরীরে ল্যাকটোজ সহ্য করার ক্ষমতা থাকে না, যার ফলে দুধ খাওয়ার পর পরিপাকতন্ত্রে নানা ধরনের জটিলতা ও অস্বস্তি দেখা দেয়।

হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ক্যালসিয়ামের উৎস হিসেবে দুধের জুড়ি মেলা ভার হলেও বর্তমান গবেষণাগুলো আরও গভীরে গিয়ে এর কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করছে। গবেষকদের একাংশের মতে, হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে কেবল দুধের ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য পুষ্টিকর উৎস থেকেও ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন গ্রহণ করা উচিত। এতে দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের সামগ্রিক ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয় এবং অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়।

সব মিলিয়ে ডায়েটে গরুর দুধ রাখবেন কি না এবং এর পরিমাণ কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ভর করে প্রতিটি মানুষের শারীরিক গঠন ও বিপাকক্রিয়ার ওপর। কারও ক্ষেত্রে এটি অমৃতসমান হলেও অন্য কারও জন্য এটি হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই নিজ শরীরের সহ্যক্ষমতা বুঝে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যতালিকায় দুধের পরিমাণ নির্ধারণ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প

error: Content is protected !!

গরুর দুধ: উপকার কতটা, ঝুঁকিই-বা কোথায়?

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দুধ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত হলেও এটি সবার শরীরের জন্য সমানভাবে উপকারী কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে আলোচনা চলছে। পুষ্টিবিদদের মতে, মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিসাধন এবং হাড়ের মজবুতি বজায় রাখতে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত দুধ পানের অভ্যাস শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান জোগাতে সাহায্য করে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে পুষ্টিবিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণায় দুধ পানের কিছু সম্ভাব্য নেতিবাচক দিকও সামনে এসেছে। বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, অতিরিক্ত পরিমাণে গরুর দুধ পান করলে নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অনেক মানুষের শরীরে ল্যাকটোজ সহ্য করার ক্ষমতা থাকে না, যার ফলে দুধ খাওয়ার পর পরিপাকতন্ত্রে নানা ধরনের জটিলতা ও অস্বস্তি দেখা দেয়।

হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ক্যালসিয়ামের উৎস হিসেবে দুধের জুড়ি মেলা ভার হলেও বর্তমান গবেষণাগুলো আরও গভীরে গিয়ে এর কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করছে। গবেষকদের একাংশের মতে, হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে কেবল দুধের ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য পুষ্টিকর উৎস থেকেও ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন গ্রহণ করা উচিত। এতে দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের সামগ্রিক ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয় এবং অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়।

সব মিলিয়ে ডায়েটে গরুর দুধ রাখবেন কি না এবং এর পরিমাণ কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ভর করে প্রতিটি মানুষের শারীরিক গঠন ও বিপাকক্রিয়ার ওপর। কারও ক্ষেত্রে এটি অমৃতসমান হলেও অন্য কারও জন্য এটি হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই নিজ শরীরের সহ্যক্ষমতা বুঝে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যতালিকায় দুধের পরিমাণ নির্ধারণ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।