আপডেট টাইম :
০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
২৬৫
বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় ৮০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি
রমজানে ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ তরমুজ। রোজা শুরুর পর তরমুজের দামও বাড়ছে। তিন দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি অপরিপক্ক তরমুজের দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়। অথচ তিন দিন আগে ৫০-৫৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। ফারুক হোসেন ও কামাল উদ্দিন নামে দুই শিক্ষার্থী বলেন, আমরা ছাত্রাবাসে থেকে অনার্সে পড়ালেখা করি। রোজা আছি এ জন্য তরমুজ কিনতে এসেছি। কিন্তু অপরিপক্ক তরমুজ ৮০ টাকা কেজি। একটা তরমুজ কেনার বাজেট নেই। এজন্য আজ কিনব না। রোজার আগে যে তরমুজ ৫০-৫৫ টাকা কেজি ছিল, সেই তরমুজ রমজানে ৮০ টাকা কেজি। এটা দুঃখজনক। তরমুজ ক্রেতা বাবলু মিয়া ও সুজন আলী বলেন, বাসার সবাই রোজায় আছে। ইফতারের জন্য ৮০ টাকা কেজি দরে তরমুজ কিনলাম। তরমুজ এখনও পরিপক্ক না। তবুও কিনলাম।’ তিন কেজি ওজনের একটা তরমুজ তিনি ২৪০ টাকা দিয়ে কিনেছেন। পৌর বাজারের শরিফুল ইসলাম বলেন, ৮০ টাকা কেজি দরে ২০০ টাকা দিয়ে একটা তরমুজ কিনেছিলাম। বাসায় এনে ইফতারের আগে কেটে দেখি অপরিপক্ক। তরমুজের ভিতরে সাদা। স্বাদও ভালো না। বাজারে অপরিপক্ক তরমুজ বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে আমার মতো অনেকে প্রতারিত হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ ব্যাংক কর্মকর্তার অঙ্গ কর্তন মামলায় স্ত্রীর কারাদণ্ড এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডলের মুঠোফোনে...
রমজানে ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ তরমুজ। রোজা শুরুর পর তরমুজের দামও বাড়ছে। তিন দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি অপরিপক্ক তরমুজের দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়। অথচ তিন দিন আগে ৫০-৫৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত।
ফারুক হোসেন ও কামাল উদ্দিন নামে দুই শিক্ষার্থী বলেন, আমরা ছাত্রাবাসে থেকে অনার্সে পড়ালেখা করি। রোজা আছি এ জন্য তরমুজ কিনতে এসেছি। কিন্তু অপরিপক্ক তরমুজ ৮০ টাকা কেজি। একটা তরমুজ কেনার বাজেট নেই। এজন্য আজ কিনব না। রোজার আগে যে তরমুজ ৫০-৫৫ টাকা কেজি ছিল, সেই তরমুজ রমজানে ৮০ টাকা কেজি। এটা দুঃখজনক।
তরমুজ ক্রেতা বাবলু মিয়া ও সুজন আলী বলেন, বাসার সবাই রোজায় আছে। ইফতারের জন্য ৮০ টাকা কেজি দরে তরমুজ কিনলাম। তরমুজ এখনও পরিপক্ক না। তবুও কিনলাম।’ তিন কেজি ওজনের একটা তরমুজ তিনি ২৪০ টাকা দিয়ে কিনেছেন।
পৌর বাজারের শরিফুল ইসলাম বলেন, ৮০ টাকা কেজি দরে ২০০ টাকা দিয়ে একটা তরমুজ কিনেছিলাম। বাসায় এনে ইফতারের আগে কেটে দেখি অপরিপক্ক। তরমুজের ভিতরে সাদা। স্বাদও ভালো না। বাজারে অপরিপক্ক তরমুজ বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে আমার মতো অনেকে প্রতারিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডলের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।