আপডেট টাইম :
০৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
২৮৩
বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় দাদার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে
পরনে রাজার পোশাক। হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে যাচ্ছেন বর। সুসজ্জিত হাতি আর বরকে দেখার জন্য রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমে যায় মানুষের। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে কুমারখালী কুন্ডুপাড়ায় এমনই এক ব্যতিক্রমী বিয়ের দেখা গেছে। হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে যাওয়া যুবকের নাম ধ্রুব অধিকারী । তিনি শহরের কুন্ডুপাড়া এলাকার তপন অধিকারীর ছেলে। বিয়ের পর হাতির পিঠে চড়ে একইভাবে তিনি নিজ বাসায় ফিরে আসেন এবং কনেকে গাড়িতে করে নিয়ে আসেন। বরের বাসা থেকে পায়রা চত্বর ঘুরে কুমারখালী এলঙ্গি পাড়া উদ্দেশে হাতির পিঠে চড়ে রওনা দেন বর। সুসজ্জিত হাতি আর বরকে দেখার জন্য রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমে যায় মানুষের। জানা যায়, কুমারখালী শহরের এলঙ্গি পাড়া এলাকার অচিন্ত পালের মেয়ে অন্তরা পালের সঙ্গে ধ্রুব অধিকারী বিয়ে হয়। এক সপ্তাহ ধরে চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। হাতি ভাড়া করা হয়েছে ৪০ হাজার টাকায়। সব আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জনদের দাওয়াত করে হৈ হুল্লোড় এবং ভুরিভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল এ আয়োজনে। বরের কাকা জানান, ধ্রুবর দাদু চেয়েছিলেন হাতির পিঠে বর সাজিয়ে বিয়ে করবে নাতি। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই ছেলেকে রাজকীয় সাজে সজ্জিত করে হাতির পিঠে উঠিয়ে কনের বাড়িতে পাঠানো হয়। আরও পড়ুনঃ বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না সুমনের, রাজবাড়ীতে মাটিবাহি ট্রাক চাপায় প্রান গেলো দুই ভাইয়ের বর ধ্রুব অধিকারী বলেন, আমার দাদু...
পরনে রাজার পোশাক। হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে যাচ্ছেন বর। সুসজ্জিত হাতি আর বরকে দেখার জন্য রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমে যায় মানুষের। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে কুমারখালী কুন্ডুপাড়ায় এমনই এক ব্যতিক্রমী বিয়ের দেখা গেছে।
হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে যাওয়া যুবকের নাম ধ্রুব অধিকারী । তিনি শহরের কুন্ডুপাড়া এলাকার তপন অধিকারীর ছেলে। বিয়ের পর হাতির পিঠে চড়ে একইভাবে তিনি নিজ বাসায় ফিরে আসেন এবং কনেকে গাড়িতে করে নিয়ে আসেন। বরের বাসা থেকে পায়রা চত্বর ঘুরে কুমারখালী এলঙ্গি পাড়া উদ্দেশে হাতির পিঠে চড়ে রওনা দেন বর। সুসজ্জিত হাতি আর বরকে দেখার জন্য রাস্তার দুই পাশে ভিড় জমে যায় মানুষের।
জানা যায়, কুমারখালী শহরের এলঙ্গি পাড়া এলাকার অচিন্ত পালের মেয়ে অন্তরা পালের সঙ্গে ধ্রুব অধিকারী বিয়ে হয়। এক সপ্তাহ ধরে চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। হাতি ভাড়া করা হয়েছে ৪০ হাজার টাকায়। সব আত্মীয়-স্বজন ও প্রিয়জনদের দাওয়াত করে হৈ হুল্লোড় এবং ভুরিভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল এ আয়োজনে।
বরের কাকা জানান, ধ্রুবর দাদু চেয়েছিলেন হাতির পিঠে বর সাজিয়ে বিয়ে করবে নাতি। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই ছেলেকে রাজকীয় সাজে সজ্জিত করে হাতির পিঠে উঠিয়ে কনের বাড়িতে পাঠানো হয়।