অর্থনীতি ডেস্ক: রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগজনক এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী নতুন করে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
বিশ্লেষক তিতুমীর আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কিছু বড় ধরনের গলদ রয়ে গেছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে। মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্নবিত্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সঞ্চয় বলতে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রার মান দিনে দিনে আরও বেশি নিম্নমুখী হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি উত্তরণে দেশের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট মহলকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন যে কেবল সাময়িক ত্রাণের ব্যবস্থা করে এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়, বরং টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও জোরালো ও বাস্তবমুখী নীতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অর্থনীতিতে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান যে এই অবস্থা চলতে থাকলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সাধারণ মানুষের হাতে অর্থ না থাকায় বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শ্লথ করে দিচ্ছে। তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনতে কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 
























