ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

মঙ্গলবার খাগড়াছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

অপহরণের ১২ দিন অতিবাহিত হলেও হদিস মেলেনি খাগড়াছড়ির তরুণ কাঠ ব্যবসায়ী মো. শফিকুল ইসলাম রাসেলের। তার মুক্তির দাবীতে মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি শহরে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দিয়েছে রাসেল মুক্তি পরিষদ। সোমবার রাসেল মুক্তি পরিষদের আহ্বায়ক সাবেক পৌর মেয়র রফিকুল আলম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে হরতালের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

 

এ ছাড়া রাসেলের মুক্তির দাবীতে সোমবার সকালে খাগড়াছড়ি শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। সমাবেশ থেকে জানানো হয়, একই দাবীতে বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি।

 

অপহৃত রাসেলের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৯ নভেম্বর খাগড়াছড়ি পৌর শহরের কল্যাণপুরের বাসা থেকে বাগান দেখতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন কাঠ ব্যবসায়ী রাসেল। এরপর থেকেই নিখোঁজ সে। দীঘিনালা সড়কের আট মাইল এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা পরিবারের সদস্যদের।

অপহৃত রাসেলের ভাই রাজিব বলেন, ‘অনেক খোঁজাখুজির পরও কোনো হদিস না পেয়ে আমরা থানায় জিডি করেছি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত আমাদের কোনোকিছুই জানাতে পারেননি। এ ছাড়া আমার ভাইয়ের মুঠোফোন থেকে কল করে মুক্তিপণের বিনিময়ে তিন লাখ টাকা দাবী করেছিল অপহরণকারীরা। অপহৃতকে ফিরে পাবার আশায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা তাদের দেয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরও আমার ভাইকে তারা মুক্তি দেয়নি। টাকা দেওয়ার পর থেকে অপহরণকারীদের সাথে আর কোনোরকম যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি।’

 

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, রাসেলকে উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে পুলিশ। একইসাথে অপরাধীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করল হ্যাকারেরা, অভিযোগ রাশিয়ার দিকে

error: Content is protected !!

মঙ্গলবার খাগড়াছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

আপডেট টাইম : ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩
তাসলিমা আক্তার বিথী, খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি :

অপহরণের ১২ দিন অতিবাহিত হলেও হদিস মেলেনি খাগড়াছড়ির তরুণ কাঠ ব্যবসায়ী মো. শফিকুল ইসলাম রাসেলের। তার মুক্তির দাবীতে মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি শহরে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দিয়েছে রাসেল মুক্তি পরিষদ। সোমবার রাসেল মুক্তি পরিষদের আহ্বায়ক সাবেক পৌর মেয়র রফিকুল আলম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে হরতালের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

 

এ ছাড়া রাসেলের মুক্তির দাবীতে সোমবার সকালে খাগড়াছড়ি শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। সমাবেশ থেকে জানানো হয়, একই দাবীতে বুধবার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি।

 

অপহৃত রাসেলের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৯ নভেম্বর খাগড়াছড়ি পৌর শহরের কল্যাণপুরের বাসা থেকে বাগান দেখতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন কাঠ ব্যবসায়ী রাসেল। এরপর থেকেই নিখোঁজ সে। দীঘিনালা সড়কের আট মাইল এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা পরিবারের সদস্যদের।

অপহৃত রাসেলের ভাই রাজিব বলেন, ‘অনেক খোঁজাখুজির পরও কোনো হদিস না পেয়ে আমরা থানায় জিডি করেছি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত আমাদের কোনোকিছুই জানাতে পারেননি। এ ছাড়া আমার ভাইয়ের মুঠোফোন থেকে কল করে মুক্তিপণের বিনিময়ে তিন লাখ টাকা দাবী করেছিল অপহরণকারীরা। অপহৃতকে ফিরে পাবার আশায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা তাদের দেয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরও আমার ভাইকে তারা মুক্তি দেয়নি। টাকা দেওয়ার পর থেকে অপহরণকারীদের সাথে আর কোনোরকম যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি।’

 

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, রাসেলকে উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে পুলিশ। একইসাথে অপরাধীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।