ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

পাখিদের কলরবে মুখরিত প্রাকৃতিক পরিবেশ

অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যের মেলা ঘোপ বাঁওড়ে

মুরাদ হোসেনঃ

প্রতিবছরের মতো এবছরেও শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে দলবেঁধে আসা পাখির কলরব কানে আসে মানুষের। এসব পাখির কিচিমিচির শব্দে রোজ ঘুম ভাঙে স্থানীয়দের। আতিথি পাখিদের উপস্থিতি প্রকৃতিতে এনেছে নতুন রুপ। তাদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

 

মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক এই দৃশ্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের ঘোপ বাঁওড়ে। শীতের শুরুতেই যেন অপার সৌন্দর্যের মেলা বসেছে এখানে। ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মেলা বসেছে যেন ঘোপ বাঁওড়ের বিশাল জলাশয়জুড়ে। শীত মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছরই ভিনদেশী এসব পাখিদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের কলতানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে প্রকৃতি। চোখে পড়ে মন মাতানো এক অপরুপ দৃশ্য। যেন পাখিদের জন্য নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে ঘোপ বাঁওড়টি।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়া, পানিতে ডুব দিয়ে আহার শিকার করার মতো মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। মনে হয় যেন দল বেঁধে নেমে পড়েছে খাদ্য সংগ্রহের প্রতিযোগিতায়। এ রকম খাদ্যের অভিযান ও ছুটাছুটি আর লুটোপুটি চলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আবার কখনো কখনো কচুরিপনার উপরে বসেও বিশ্রাম নিতে দেখা যায় পাখিদের।

 

চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত নানা শ্রেনিপেশার মানুষ ছুটে আসেন বাঁওড়ের তীরে। আগত ব্যক্তিরা দুর থেকেই দু’চোখ ভরে উপভোগ করেন পাখিদের কলরব, মিতালী আর মাতামাতি। যা অন্যরকম এক অনুভুতি।

 

তেমই অনুভুতির কথা ব্যক্ত করেন মৎস্য শিকারী মুকুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে এই বাঁওড়ে মাছ শিকার করছি। বহুবছর ধরে এই বাঁওড়ে শীতের সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে। আমরা সারা বছর এই অতিথি পাখির জন্য অপেক্ষা করি। তাদের মতো আমরাও সারাদিন বাঁওড়ে থাকি। এক প্রকার পাখি আর আমরা মিলেমিশে বসবাস করি।

 

অতিথি পাখির ঝাঁক বেধে বিচিত্র স্বরে ডাকতে ডাকতে উড়ে চলা, খাবার সংগ্রহ করা, কিচিরমিচির শব্দে বাঁওড়ের পানিতে নেমে আহার শিকারের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠা, এসব সুন্দর দৃশ্য আমাদের মুগ্ধ করে তোলে। শীতকালে বিভিন্ন দেশ থেকে আসে এসব অতিথি পাখি। শতি কমতে শুরু করলেই আবার ফিরে যায়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

পাখিদের কলরবে মুখরিত প্রাকৃতিক পরিবেশ

অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যের মেলা ঘোপ বাঁওড়ে

আপডেট টাইম : ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
মুরাদ হোসেন, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :

মুরাদ হোসেনঃ

প্রতিবছরের মতো এবছরেও শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে দলবেঁধে আসা পাখির কলরব কানে আসে মানুষের। এসব পাখির কিচিমিচির শব্দে রোজ ঘুম ভাঙে স্থানীয়দের। আতিথি পাখিদের উপস্থিতি প্রকৃতিতে এনেছে নতুন রুপ। তাদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

 

মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক এই দৃশ্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের ঘোপ বাঁওড়ে। শীতের শুরুতেই যেন অপার সৌন্দর্যের মেলা বসেছে এখানে। ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মেলা বসেছে যেন ঘোপ বাঁওড়ের বিশাল জলাশয়জুড়ে। শীত মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছরই ভিনদেশী এসব পাখিদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের কলতানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে প্রকৃতি। চোখে পড়ে মন মাতানো এক অপরুপ দৃশ্য। যেন পাখিদের জন্য নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে ঘোপ বাঁওড়টি।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়া, পানিতে ডুব দিয়ে আহার শিকার করার মতো মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। মনে হয় যেন দল বেঁধে নেমে পড়েছে খাদ্য সংগ্রহের প্রতিযোগিতায়। এ রকম খাদ্যের অভিযান ও ছুটাছুটি আর লুটোপুটি চলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আবার কখনো কখনো কচুরিপনার উপরে বসেও বিশ্রাম নিতে দেখা যায় পাখিদের।

 

চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত নানা শ্রেনিপেশার মানুষ ছুটে আসেন বাঁওড়ের তীরে। আগত ব্যক্তিরা দুর থেকেই দু’চোখ ভরে উপভোগ করেন পাখিদের কলরব, মিতালী আর মাতামাতি। যা অন্যরকম এক অনুভুতি।

 

তেমই অনুভুতির কথা ব্যক্ত করেন মৎস্য শিকারী মুকুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে এই বাঁওড়ে মাছ শিকার করছি। বহুবছর ধরে এই বাঁওড়ে শীতের সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে। আমরা সারা বছর এই অতিথি পাখির জন্য অপেক্ষা করি। তাদের মতো আমরাও সারাদিন বাঁওড়ে থাকি। এক প্রকার পাখি আর আমরা মিলেমিশে বসবাস করি।

 

অতিথি পাখির ঝাঁক বেধে বিচিত্র স্বরে ডাকতে ডাকতে উড়ে চলা, খাবার সংগ্রহ করা, কিচিরমিচির শব্দে বাঁওড়ের পানিতে নেমে আহার শিকারের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠা, এসব সুন্দর দৃশ্য আমাদের মুগ্ধ করে তোলে। শীতকালে বিভিন্ন দেশ থেকে আসে এসব অতিথি পাখি। শতি কমতে শুরু করলেই আবার ফিরে যায়।