দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
১৩০
বার পঠিত
লালপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, দুইজনের মৃত্যু
রাশিদুল ইসলাম রাশেদঃ নাটোরের লালপুরে দিনমজুরের পরিবারের ঘরে একসঙ্গে জন্ম নিল পাঁচ সন্তান। এর মধ্যে দুজন জন্মের পরই মারা গেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেশমা খাতুন (২৩) একসঙ্গে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম দেন। প্রসবের পর রাত ১১টার দিকে এক ছেলে ও এক মেয়ে মারা যায়। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লালপুরের সাইপাড়া গ্রামে শিশু দুটির দাফন সম্পন্ন হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আসিবের চাচি, স্থানীয় শিক্ষিকা মোসা. হাফিজা খানম। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আনোয়ারুল আজিম জানান, মা রেশমা সুস্থ থাকলেও নবজাতকেরা দুর্বল। তাঁদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। এদিকে পাঁচ সন্তানের জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মা ও নবজাতকদের এক নজর দেখতে হাসপাতালে ভিড় করছেন অনেকেই। আসিব হোসেন সবুজ ঈশ্বরদী মিলিটারি ফার্মে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। তিনি বলেন, ‘আমার আয় অতি সামান্য। এতগুলো সন্তানের ব্যয়ভার বহন করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সবার কাছে দোয়া চাই এবং সামর্থ্যবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।’
রাশিদুল ইসলাম রাশেদঃ
নাটোরের লালপুরে দিনমজুরের পরিবারের ঘরে একসঙ্গে জন্ম নিল পাঁচ সন্তান। এর মধ্যে দুজন জন্মের পরই মারা গেছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেশমা খাতুন (২৩) একসঙ্গে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম দেন। প্রসবের পর রাত ১১টার দিকে এক ছেলে ও এক মেয়ে মারা যায়।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লালপুরের সাইপাড়া গ্রামে শিশু দুটির দাফন সম্পন্ন হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আসিবের চাচি, স্থানীয় শিক্ষিকা মোসা. হাফিজা খানম।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আনোয়ারুল আজিম জানান, মা রেশমা সুস্থ থাকলেও নবজাতকেরা দুর্বল। তাঁদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।
এদিকে পাঁচ সন্তানের জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মা ও নবজাতকদের এক নজর দেখতে হাসপাতালে ভিড় করছেন অনেকেই।
আসিব হোসেন সবুজ ঈশ্বরদী মিলিটারি ফার্মে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। তিনি বলেন, ‘আমার আয় অতি সামান্য। এতগুলো সন্তানের ব্যয়ভার বহন করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সবার কাছে দোয়া চাই এবং সামর্থ্যবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।’