কমরেড খোন্দকারঃ
ইতালির ভেনিসে উৎসবমুখর পরিবেশে খোলা মাঠে ও মসজিদে ভাবগাম্বীর্যের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের বৃহৎ ঈদের নামাজ আদায় করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
ঈদ মানেই আনন্দ, হাসি খুশি আর আত্বিয় স্বজন বন্ধু বান্ধব ও পরিবার নিয়ে সুন্দর মুহূর্ত গুলো কাঠানো। সেই সাথে ঈদের নামাজ জামায়েতের সাথে পালন করা। ছুটির দিনে ঈদ হওয়াতে প্রত্যেকটি ঈদের নামাজে প্রবাসীদের উপস্থিতি ছিল অনেক। বিদেশের মাঠিতে অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ পালন করলেও বেশিরবাগ প্রবাসীদেড় পরিবার না থাকার ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলে ঈদ উদযাপন করেন।
মদ্যপ্রাচ্য সহ গোটা ইউরোপ এর সাথে মিল রেখে ইতালির ভেনিসে ধর্মীয় ভাবগাম্বীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মুসলমানদের বৃহৎ ঈদ উল ফিতর।
ইতালির ভেনিসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে মসজিদে ও খোলা মাঠে প্রায় ১৬ টি ঈদের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও ভেনিসের আশেপাশে শহর গুলোতে ও অনেকগুলো ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
ভেনিসে প্রথম ঈদের নামাজের জামায়েত অনুষ্ঠিত হয় ৭.২০ মিনিটে পুরাতন জামে মসজিদে। তারপরে ধারাবাহিক ভাবে সর্বমোট চারটি ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
ভেনিসের বায়তুল মামুর কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রথম ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭,৩০ মিনিটে। তারপরে ধারাবাহিকভাবে সর্বমোট পাঁচটি ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মারগেরা জামে মসজিদের অধীনে খোলা মাঠে পাঁচটি ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও লা পাছে জামে মসজিদের অধীনে ভেনিসের সানজুলিয়ানো পার্কে একটি বড় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৯ টায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজনে পীড়াগেততো পার্কে ভেনিসের বৃহৎ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের নামাজে পুরুষ মহিলা সহ কয়েকহাজার প্রবাসী অংশহগ্রহন করেন এবং ভেনিসে একটি স্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা ঈদগায়ে আশা প্রবাসীদের অবহিত করেন।
ঈদের নামাজ শেষে প্রত্যেকটি ঈদের নামাজে প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিকট আত্মীয় স্বজন সহ পরিবার এর সুস্থতা ও বিশেষ মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং দোয়া শেষে সকল প্রবাসীরা একে ওপরের সাথে খোলাখুলি মধ্য দিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
ঈদের নামাজ শেষে ভেনিসের সামাজিক রাজনৈতিক ও কমিউনিটির নেতৃবৃন্দরা কুশল বিনিময়ের জন্য কয়েক জায়গায় জড়ো হয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সেই সাথে অনেক প্রবাসী কে তাদের বন্ধু পরিজনের সাথে ও ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিতে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত দেখা যায়।
এই বছরের ঈদ ছুটির দিনে হওয়াতে অনেকটাই আনন্দ আর উল্লাস ছিল প্রবাসীদের মনে, এরপরেও অনেকের পরিবার না থাকায় কিছুটা হলেও পরিবার পাশে না থাকার দুঃখ তাদের চোঁখে বেশে উঠে।
প্রিন্ট