ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

মাগুরার শত্রুজিৎপুরে বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে দলবদ্ধ হয়ে হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

মোঃ রনি আহমেদ রাজু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুজিৎপুর ইউনিয়নের ধর্মদাহ গ্রামের মারামারি, গ্যাঞ্জাম ও ফ্যাসাদের সূত্র ধরে, ১৪ ডিসেম্বর শনিবার দুপুর ১টার দিকে অপ্রত্যাশিতভাবে রামদা, ছ্যানদা, চাইনিজ কুড়াল, লাঠি-সোঠাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৬-৮ জন সন্ত্রাসী কায়দায় শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলীর বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, চাঁদা দাবী ও জীবননাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, শত্রুজিৎপুর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, চাতাল কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মোঃ সাহেব আলী জানান, বারইখালী পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত সামাদ মোল্লার পুত্র ছলেমান মোল্লা (৩৫), সৈয়দ মোল্লার দুই পুত্র রুবেল মোল্লা (৩০) ও উজ্জল মোল্লা, সবুর মোল্লার পুত্র ইব্রাহিম মোল্লা (৩২), মৃত নাজিম শেখের পুত্র হাসান শেখ, নুর ইসলামের পুত্র আলমগীর মিয়া, হবিবার মোল্লার পুত্র কিবির মোল্লা, ইউনুস মোল্লার পুত্র নবাব আলী (২৮) এবং বারইখালী পূর্ব পাড়া গ্রামের মৃত রউফ বিশ্বাসের পুত্র নায়েব আলী (৪০) ও মৃত ওহাব বিশ্বাসের পুত্র আকবর বিশ্বাস (৪৮) তাদের বাড়িতে এসে গালিগালাজ, জীবননাশের হুমকি দেয় এবং মালয়েশিয়া প্রবাসী ইকরাম মিয়ার স্ত্রী নাজমা খাতুনকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় নাজমা খাতুন ভয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।

 

তিনি আরও জানান, দুর্বৃত্তরা আগে আওয়ামী লীগের সাথে মিশে ছিল, এখন শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জাফর শেখ (৫২) এর সাথে সামাজিক দলে মিশে তাদের বিরুদ্ধে হামলা ও লুটপাট করার পায়তারা করছে। তিনি মাগুরা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

 

আরু পড়ুনঃ সিরাজগঞ্জে মাওলানা ভাসানী ডিগ্রি কলেজের নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

 

ঘটনার বিষয়ে শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জাফর শেখের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, বিগত দুই মাস আগে সামাজিক দলাদলি নিয়ে সাহেব আলীর সাথে তার গ্যাঞ্জাম হয়েছিল। রুবেল ও উজ্জ্বল আওয়ামী লীগ করে, নবাব, কিবির, ইদ্রিস ও হবিবার বিএনপি করে। সাহেব আলীর বাড়িতে লোকজন দলবদ্ধ হয়ে হামলা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চাঁদাদাবির বিষয়ে জানালে তিনি জানান, এসব ঘটনা তার জানা নেই।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

মাগুরার শত্রুজিৎপুরে বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে দলবদ্ধ হয়ে হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
রনি আহমেদ রাজু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি :

মোঃ রনি আহমেদ রাজু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুজিৎপুর ইউনিয়নের ধর্মদাহ গ্রামের মারামারি, গ্যাঞ্জাম ও ফ্যাসাদের সূত্র ধরে, ১৪ ডিসেম্বর শনিবার দুপুর ১টার দিকে অপ্রত্যাশিতভাবে রামদা, ছ্যানদা, চাইনিজ কুড়াল, লাঠি-সোঠাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৬-৮ জন সন্ত্রাসী কায়দায় শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলীর বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, চাঁদা দাবী ও জীবননাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, শত্রুজিৎপুর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, চাতাল কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মোঃ সাহেব আলী জানান, বারইখালী পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত সামাদ মোল্লার পুত্র ছলেমান মোল্লা (৩৫), সৈয়দ মোল্লার দুই পুত্র রুবেল মোল্লা (৩০) ও উজ্জল মোল্লা, সবুর মোল্লার পুত্র ইব্রাহিম মোল্লা (৩২), মৃত নাজিম শেখের পুত্র হাসান শেখ, নুর ইসলামের পুত্র আলমগীর মিয়া, হবিবার মোল্লার পুত্র কিবির মোল্লা, ইউনুস মোল্লার পুত্র নবাব আলী (২৮) এবং বারইখালী পূর্ব পাড়া গ্রামের মৃত রউফ বিশ্বাসের পুত্র নায়েব আলী (৪০) ও মৃত ওহাব বিশ্বাসের পুত্র আকবর বিশ্বাস (৪৮) তাদের বাড়িতে এসে গালিগালাজ, জীবননাশের হুমকি দেয় এবং মালয়েশিয়া প্রবাসী ইকরাম মিয়ার স্ত্রী নাজমা খাতুনকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় নাজমা খাতুন ভয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।

 

তিনি আরও জানান, দুর্বৃত্তরা আগে আওয়ামী লীগের সাথে মিশে ছিল, এখন শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জাফর শেখ (৫২) এর সাথে সামাজিক দলে মিশে তাদের বিরুদ্ধে হামলা ও লুটপাট করার পায়তারা করছে। তিনি মাগুরা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

 

আরু পড়ুনঃ সিরাজগঞ্জে মাওলানা ভাসানী ডিগ্রি কলেজের নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

 

ঘটনার বিষয়ে শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জাফর শেখের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, বিগত দুই মাস আগে সামাজিক দলাদলি নিয়ে সাহেব আলীর সাথে তার গ্যাঞ্জাম হয়েছিল। রুবেল ও উজ্জ্বল আওয়ামী লীগ করে, নবাব, কিবির, ইদ্রিস ও হবিবার বিএনপি করে। সাহেব আলীর বাড়িতে লোকজন দলবদ্ধ হয়ে হামলা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চাঁদাদাবির বিষয়ে জানালে তিনি জানান, এসব ঘটনা তার জানা নেই।


প্রিন্ট