ঢাকা , রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo উপজেলা নির্বাচন পরবর্তী হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ, আসামী গ্রেপ্তারের দাবি Logo খাগড়াছড়িতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী উদ্বোধন Logo ঈদকে সামনে রেখে হাতিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ঘাটে কোস্টগার্ডের নিরাপত্তার জোরদার Logo সদরপুর ক্যাডেট স্কিম মাদরাসায় কুরআনের সবক Logo বোয়ালমারীতে ট্রাকের সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত Logo জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নাগরপুর উপজেলা ইউনিটের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন Logo সদরপুরে ঠেঙ্গামারী আলিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শুভ উদ্বোধন Logo ডাকাত সর্দারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব Logo নড়াইলে মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি কেঁড়ে নিলো কিশোরের প্রাণ Logo ভুয়া পরিচয়ে চার বছর ধরে দন্ত চিকিৎসকের জেল ও জরিমানা
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

-ছবিতে ঘুসের টাকা হাতে ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের নিকট থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দুই মিনিট ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

ভিডিও বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলগি ইউনিয়নের খাদ্য বান্ধব ডিলার মো.আসাদুজ্জামান ও ঘারুয়া ইউনিয়নের আবুল বাশার মিয়ার হাত থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছেন ভাঙ্গা উপজেলার খাদ্য মোঃ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। এ সময় এক ডিলারকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার যে কয়বার যাওয়া লাগে আপনি যাইয়েন, কোনো লোক পাঠাইয়েন না। আপনি নিজে খারাপ কথা বইলেন, কিন্তু অন্যকে কাউকে দিয়ে বইলেন না। পাশের থেকে আরেক জন বলেন, ‘স্যার যা বলার আপনি বলে দিয়েন। সব কয়জন আপনার ডিলার, কোনো অনিয়ম করে না।আপনি টিএনও স্যারকে ম্যানেজ করেন।

 

এ বিষয়ে ডিলার আবুল বাশার মিয়া জানান, খাদ্য কর্মকর্তা স্যারের সঙ্গে আমাদের কোনো লেনদেন হয় নাই । আমরা খাদ্যবান্ধব ডিলার রাজ্জাক স্যারের সঙ্গে লেনদেন করি। অনেক সময় টিসিবির মালের টাকা তার কাছে জমা রাখি। কিন্তু তরিকুল স্যারের কাছে কোনো টাকা লেনদেন করেছি বলে আমার মনে পরেে না।

 

ভিডিও বিষয়ে জানতে ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এবিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরত-এ-খুদা কে একাধিক বার তার ফোন ও হোয়াটসআপ নম্বরে কল দিলে তিনিও ফোন ধরেন নাই।

 

 

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা খাদ্য নিয়েন্ত্রক মো. ফরহাদ খন্দকার জানান, ভিডিওটি আমি দেখেছি। আসল ঘটনা কি ? যদি ঘুস লেনদেনের ঘটনা সঠিক হয়। তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

উপজেলা নির্বাচন পরবর্তী হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ, আসামী গ্রেপ্তারের দাবি

error: Content is protected !!

ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের নিকট থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দুই মিনিট ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

ভিডিও বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলগি ইউনিয়নের খাদ্য বান্ধব ডিলার মো.আসাদুজ্জামান ও ঘারুয়া ইউনিয়নের আবুল বাশার মিয়ার হাত থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছেন ভাঙ্গা উপজেলার খাদ্য মোঃ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। এ সময় এক ডিলারকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার যে কয়বার যাওয়া লাগে আপনি যাইয়েন, কোনো লোক পাঠাইয়েন না। আপনি নিজে খারাপ কথা বইলেন, কিন্তু অন্যকে কাউকে দিয়ে বইলেন না। পাশের থেকে আরেক জন বলেন, ‘স্যার যা বলার আপনি বলে দিয়েন। সব কয়জন আপনার ডিলার, কোনো অনিয়ম করে না।আপনি টিএনও স্যারকে ম্যানেজ করেন।

 

এ বিষয়ে ডিলার আবুল বাশার মিয়া জানান, খাদ্য কর্মকর্তা স্যারের সঙ্গে আমাদের কোনো লেনদেন হয় নাই । আমরা খাদ্যবান্ধব ডিলার রাজ্জাক স্যারের সঙ্গে লেনদেন করি। অনেক সময় টিসিবির মালের টাকা তার কাছে জমা রাখি। কিন্তু তরিকুল স্যারের কাছে কোনো টাকা লেনদেন করেছি বলে আমার মনে পরেে না।

 

ভিডিও বিষয়ে জানতে ভাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এবিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরত-এ-খুদা কে একাধিক বার তার ফোন ও হোয়াটসআপ নম্বরে কল দিলে তিনিও ফোন ধরেন নাই।

 

 

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা খাদ্য নিয়েন্ত্রক মো. ফরহাদ খন্দকার জানান, ভিডিওটি আমি দেখেছি। আসল ঘটনা কি ? যদি ঘুস লেনদেনের ঘটনা সঠিক হয়। তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।