ঢাকা , রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

সালথায় ভাতিজী ধর্ষণের অভিযোগে চাচা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের সালথায় ১৫ বছর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ে করা মামলায় চাচা মো. আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০১ জুন) বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালথা থানার ওসি মো. শেখ সাদিক। এরআগে বুধবার (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নির্যাতিত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সুত্র জানা গেছে, অভিযুক্ত ধর্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ একজন শিক্ষিত বেকারগ্রস্ত যুবক। তিনি বাড়িতে শুধু ঘুরাফেরা করেন, কিন্তু কোনো কাজকর্ম করেন না। আর নির্যাতিত কিশোরীও একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। ওই কিশোরী আর আসাদ সম্পর্কে আপন চাচা ভাতিজী। যে কারণে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করতেন তারা।

বুধবার সকালে পরিবারের সকল সদস্যরা কেউ কলেজে, কেউ কর্মস্থলে যান। তখন বাড়িতে ওই কিশোরী আর আসাদ অবস্থান করছিল। এই সুযোগে প্রতিবন্ধী ভাতিজীকে মুখ চেপে ধরে একটি টিনের ঘরের ভেতর নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে এসে ওই কিশোরীকে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখেন এবং তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানেন।

ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ সাদিক বলেন, ভুক্তভোগী আর অভিযুক্ত আপন চাচা-ভাতিজী। ঘটনাটি চরম একটি বাজে ঘটনা। এটা বিকৃতি মস্তিস্কের কাজ। ধর্ষণের ঘটনায় বুধবার রাতে নির্যাতিত প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই রাতে স্থানীয় একটি পাটক্ষেতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসাদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

সালথায় ভাতিজী ধর্ষণের অভিযোগে চাচা গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩

ফরিদপুরের সালথায় ১৫ বছর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ে করা মামলায় চাচা মো. আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০১ জুন) বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালথা থানার ওসি মো. শেখ সাদিক। এরআগে বুধবার (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নির্যাতিত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সুত্র জানা গেছে, অভিযুক্ত ধর্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ একজন শিক্ষিত বেকারগ্রস্ত যুবক। তিনি বাড়িতে শুধু ঘুরাফেরা করেন, কিন্তু কোনো কাজকর্ম করেন না। আর নির্যাতিত কিশোরীও একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। ওই কিশোরী আর আসাদ সম্পর্কে আপন চাচা ভাতিজী। যে কারণে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করতেন তারা।

বুধবার সকালে পরিবারের সকল সদস্যরা কেউ কলেজে, কেউ কর্মস্থলে যান। তখন বাড়িতে ওই কিশোরী আর আসাদ অবস্থান করছিল। এই সুযোগে প্রতিবন্ধী ভাতিজীকে মুখ চেপে ধরে একটি টিনের ঘরের ভেতর নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে এসে ওই কিশোরীকে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখেন এবং তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানেন।

ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ সাদিক বলেন, ভুক্তভোগী আর অভিযুক্ত আপন চাচা-ভাতিজী। ঘটনাটি চরম একটি বাজে ঘটনা। এটা বিকৃতি মস্তিস্কের কাজ। ধর্ষণের ঘটনায় বুধবার রাতে নির্যাতিত প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই রাতে স্থানীয় একটি পাটক্ষেতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসাদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।