ঢাকা , রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় সংসদ -৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নব নির্বাচিত এমপিকে সংবর্ধনা নড়াইলে চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক চট্টগ্রাম ৮ আসনের সাংসদ মোছলেম উদ্দিন আহমদ এম পি’র রোগ মুক্তি কামনায় বোয়ালখালীতে দোয়া মাহফিল। সালথায় নবকাম পল্লী কলেজে নবীন বরণ, গুণীজন সংবর্ধনা ও পিঠা মেলা অনুষ্ঠিত পাংশার বাহাদুরপুর ইউপিতে এমপি জিল্লুল হাকিমের উদ্যোগে দ্বিতীয় দফায় কম্বল বিতরণ মিষ্টিকুমড়া ও সিম চাষে সাবলম্বী ওবায়দুর পাঠক বৃদ্ধির লক্ষ্যে তরুণ সংঘ ও পাঠাগারে সভা অনুষ্ঠিত পাংশায় সাহিত্য উন্নয়ন পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ট্রেন থেকে ৩লাখ টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার রোজা উপলক্ষে ভারত থেকে ৩৮০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি

বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে ২০৪০ সালে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
  • ১৩ বার পঠিত

আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার হবে এক ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলার। গত ছয় বছরে দেশের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হারে। এ প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নামলেও ২০৪০ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করবে। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ হলে এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যেই ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

গেল সপ্তাহে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতির হালনাগাদ এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরিসংখ্যানের বরাতে গত ২৯ ডিসেম্বর কানাডার অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজুয়াল ক্যাপিটালিস্ট যে প্রতিবেদন করেছে, সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দেখানো হয়েছে ৪৬৫ বিলিয়ন ডলার। তাতে বিদায়ি বছরে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৩৫তম।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, যতই মন্দার পূর্বাভাস দেওয়া হোক না কেন, মন্দার ঢেউ আমাদের ওপর খুব একটা লাগবে না। বাংলাদেশ মন্দায় পড়ার শঙ্কায় থাকা দেশগুলোর তালিকায় নেই। অর্থনীতির প্রায় সব সূচক ভালো অবস্থায় আছে।

রিজার্ভ নিয়ে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংগত কারণেই চাপে থাকলেও ধীরে ধীরে তা সামাল দিয়ে উঠছে বাংলাদেশ। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ও আগের মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। সরকারের প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ ও কৌশলের কারণে প্রবাসী আয় আরও বাড়বে। তাতে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। গত ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৭৫ কোটি ডলার।

Tag :

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Sub Editor-06

জাতীয় সংসদ -৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নব নির্বাচিত এমপিকে সংবর্ধনা

error: Content is protected !!

বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে ২০৪০ সালে

আপডেট টাইম : ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার হবে এক ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলার। গত ছয় বছরে দেশের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হারে। এ প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নামলেও ২০৪০ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করবে। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ হলে এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যেই ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

গেল সপ্তাহে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতির হালনাগাদ এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরিসংখ্যানের বরাতে গত ২৯ ডিসেম্বর কানাডার অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজুয়াল ক্যাপিটালিস্ট যে প্রতিবেদন করেছে, সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দেখানো হয়েছে ৪৬৫ বিলিয়ন ডলার। তাতে বিদায়ি বছরে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৩৫তম।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, যতই মন্দার পূর্বাভাস দেওয়া হোক না কেন, মন্দার ঢেউ আমাদের ওপর খুব একটা লাগবে না। বাংলাদেশ মন্দায় পড়ার শঙ্কায় থাকা দেশগুলোর তালিকায় নেই। অর্থনীতির প্রায় সব সূচক ভালো অবস্থায় আছে।

রিজার্ভ নিয়ে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংগত কারণেই চাপে থাকলেও ধীরে ধীরে তা সামাল দিয়ে উঠছে বাংলাদেশ। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ও আগের মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। সরকারের প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ ও কৌশলের কারণে প্রবাসী আয় আরও বাড়বে। তাতে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। গত ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৭৫ কোটি ডলার।