ঢাকা , রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

মহম্মদপুরে সভাপতির বিরুদ্ধে মাদ্রাসার গাছ কাটার অভিযোগঃ প্রশাসনের ভিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগপত্র দায়ের

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঘুল্লিয়া বহুমুখি দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর মোল্যার বিরুদ্ধে অনুমতি বা রেজুলেশন ছাড়াই প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ছায়া ও শোভাবর্ধনকারি প্রায় তিন লাখ টাকার গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি সাকিবুল ইসলাম পিকুল ১২ ডিসেম্বর সোমবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রসাশনের একাধিক দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগের অনুলিপি থেকে জানা যায়, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মাদ্রাসার মুল ভবনের পূর্বপাশের ছায়া ও শোভাবর্ধনকারী বৃহৎ আকৃত্রির ৫টি গাছ প্রতিষ্ঠানটির রেজুলেশন ছাড়াই অধিক শ্রমীক লাগিয়ে একদিনের মধ্যে কেটে নিয়ে যায়। মাদ্রাসার সুপারসহ শিক্ষকমন্ডলি গাছ কাটতে শ্রমীকদের নিষেধ করলে সভাপতির নির্দেশে তারা গাছ কাটছেন বলে জানান। গত শুক্র ও শনিবার বন্ধের দিনে মাদ্রসার উত্তর পাশের প্রাচীর সংলগ্ন ৫/৭টি গাছ সভাপতির উপস্থিতিতে কাটতে শুরু করলে খবর পেয়ে মাদ্রাসার সুপার আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে এসে নিশেধ করলে তার কথা কর্ণপাত না করে তারা গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী শাকিবুল ইসলাম পিকুল বলেন, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সভাপতি মাদ্রাসার সার্বিক পরিবেশ নষ্টো করে দিচ্ছেন। এবং তার ইচ্ছেমত গাছ কেটে অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় মাদ্রাসায় স্বেচ্ছাচারিতা দেখিয়ে যাচ্ছেন। অভিযুক্ত ঘুল্লিয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর মোল্যা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাদ্রাসার কোন গাছ কাটা হয়নি। মাদ্রাসা সংলগ্ন জমির মালিক তার গাছ তিনি কেটে নিয়ে গেছেন। এখানে আমার বা আমাদের প্রতিষ্ঠানের কোন সংশ্লিষ্ঠতা নেই। মাদ্রাসা সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি এখানে সবেমাত্র যোগদান করেছি। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে আমি অবহিত নই। যে গাছ কাটা হয়েছে তা মাদ্রাসার প্রাচীর সংলগ্ন তবে মাদ্রাসার কিনা আমার জানা নেই। ইউএনও রামানন্দ পাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ও শরীর গঠনে সহায়তা করেঃ -লিয়াকত সিকদার

error: Content is protected !!

মহম্মদপুরে সভাপতির বিরুদ্ধে মাদ্রাসার গাছ কাটার অভিযোগঃ প্রশাসনের ভিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগপত্র দায়ের

আপডেট টাইম : ০২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঘুল্লিয়া বহুমুখি দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর মোল্যার বিরুদ্ধে অনুমতি বা রেজুলেশন ছাড়াই প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ছায়া ও শোভাবর্ধনকারি প্রায় তিন লাখ টাকার গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি সাকিবুল ইসলাম পিকুল ১২ ডিসেম্বর সোমবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রসাশনের একাধিক দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগের অনুলিপি থেকে জানা যায়, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মাদ্রাসার মুল ভবনের পূর্বপাশের ছায়া ও শোভাবর্ধনকারী বৃহৎ আকৃত্রির ৫টি গাছ প্রতিষ্ঠানটির রেজুলেশন ছাড়াই অধিক শ্রমীক লাগিয়ে একদিনের মধ্যে কেটে নিয়ে যায়। মাদ্রাসার সুপারসহ শিক্ষকমন্ডলি গাছ কাটতে শ্রমীকদের নিষেধ করলে সভাপতির নির্দেশে তারা গাছ কাটছেন বলে জানান। গত শুক্র ও শনিবার বন্ধের দিনে মাদ্রসার উত্তর পাশের প্রাচীর সংলগ্ন ৫/৭টি গাছ সভাপতির উপস্থিতিতে কাটতে শুরু করলে খবর পেয়ে মাদ্রাসার সুপার আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে এসে নিশেধ করলে তার কথা কর্ণপাত না করে তারা গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী শাকিবুল ইসলাম পিকুল বলেন, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সভাপতি মাদ্রাসার সার্বিক পরিবেশ নষ্টো করে দিচ্ছেন। এবং তার ইচ্ছেমত গাছ কেটে অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় মাদ্রাসায় স্বেচ্ছাচারিতা দেখিয়ে যাচ্ছেন। অভিযুক্ত ঘুল্লিয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর মোল্যা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাদ্রাসার কোন গাছ কাটা হয়নি। মাদ্রাসা সংলগ্ন জমির মালিক তার গাছ তিনি কেটে নিয়ে গেছেন। এখানে আমার বা আমাদের প্রতিষ্ঠানের কোন সংশ্লিষ্ঠতা নেই। মাদ্রাসা সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি এখানে সবেমাত্র যোগদান করেছি। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে আমি অবহিত নই। যে গাছ কাটা হয়েছে তা মাদ্রাসার প্রাচীর সংলগ্ন তবে মাদ্রাসার কিনা আমার জানা নেই। ইউএনও রামানন্দ পাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।