এস. এম সালমান হৃদয়ঃ
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে বিএনপির দুই জ্যেষ্ঠ নেতার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (০২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে জেলা নির্বাচন অফিসের ভেতরে পাশাপাশি দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
দলীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা মনোনয়নপত্র জমা দিতে নির্বাচন অফিসে গেলে তার সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে নির্বাচন অফিসের ভেতরে ভিড় ও ঠেলাঠেলির মধ্যে পাশাপাশি দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন-এর মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উপস্থিত অন্য নেতাকর্মীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আলী আজগর তালুকদার হেনা বলেন, “এখনকার অনেক নেতাকর্মী কাউকে চেনে না, মানতেও চায় না। নির্বাচন অফিসের ভেতরে আমি নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ভিড়ের কারণে ঠেলাঠেলি শুরু হয়। এ নিয়েই তিনি আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। আমরা যেহেতু সিনিয়র, তাই অনেক কিছু মেনে নেওয়াই ভালো।”
অন্যদিকে শেখ তাহা উদ্দিন নাহিনের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে জয়লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
দলের ভেতরে এমন ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে বিএনপির একাধিক নেতা দাবি করেছেন, এটি সাময়িক ভুলবোঝাবুঝি এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।
প্রিন্ট

কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন 
এস. এম সালমান হৃদয়, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি 



















