আপডেট টাইম :
০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২১৭
বার পঠিত
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান
ইসমাইল হোসেন বাবু: কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়েছে ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসন। আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন, ভেড়ামারা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিন চালিত নৌকাকে ধাওয়া করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মো. কামাল প্রামানিক (৪৯), পিতা: মো. নুর প্রামানিক, গ্রাম: বাহিরচর, এবং মো. হাফিজুর রহমান (২৪), পিতা: মো. আজাদ, গ্রাম: খাজানগর, কুষ্টিয়াকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ৪(খ) ধারা অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায়, একই আইনের ১৫(১) ধারা মোতাবেক ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের জমি ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছিল। ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, “নদী থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি। আমরা নিয়মিত তদারকি করছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” এ ঘটনায় পদ্মাপাড়ের সাধারণ মানুষ, কৃষক ও এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
ইসমাইল হোসেন বাবু:
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়েছে ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসন।
আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন, ভেড়ামারা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিন চালিত নৌকাকে ধাওয়া করেন।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মো. কামাল প্রামানিক (৪৯), পিতা: মো. নুর প্রামানিক, গ্রাম: বাহিরচর, এবং মো. হাফিজুর রহমান (২৪), পিতা: মো. আজাদ, গ্রাম: খাজানগর, কুষ্টিয়াকে আটক করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ৪(খ) ধারা অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায়, একই আইনের ১৫(১) ধারা মোতাবেক ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের জমি ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছিল।
ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, “নদী থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি। আমরা নিয়মিত তদারকি করছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এ ঘটনায় পদ্মাপাড়ের সাধারণ মানুষ, কৃষক ও এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।