ফিচার ডেস্ক: প্রকৃতির বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসা বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর অবয়ব নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তুলেছেন স্থানীয় গ্রামীণ জনপদের মানুষ। সম্প্রতি দেশের একটি গ্রামীণ এলাকায় নারী, পুরুষ ও তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সম্পন্ন হয়। বিলুপ্তপ্রায় এই প্রাণীগুলোর প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের সংরক্ষণের তাগিদ থেকেই মূলত এমন অভিনব পন্থার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। নিখুঁত কারুকার্যে তৈরি এসব অবয়বের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষ প্রকৃতি রক্ষার এক অনন্য বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন।
আয়োজনটিকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলতে রাতের আঁধারে বর্ণিল আলোর রোশনাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়। কৃত্রিম আলোর খেলায় তৈরি করা হয় এক মায়াবী পরিবেশ, যার মাঝে প্রাণীদের অবয়বগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে। এর পাশাপাশি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী লোকজ গান ও সংস্কৃতির পরিবেশনা পুরো অনুষ্ঠানটিকে এক উৎসবমুখর রূপ দেয়। এই সাংস্কৃতিক আবহ উপস্থিত দর্শকদের মনে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সত্তার এক মেলবন্ধন তৈরি করে।
আলো ও সুরের এই মূর্ছনার সাথে যুক্ত হয় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা যা রাতের গ্রামকে মুখরিত করে তোলে। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষগুলোর হাতে ছিল পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার নানা স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড। তারা আলো হাতে পুরো এলাকা প্রদক্ষিণ করে স্থানীয়দের সচেতন করার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই পুরো আয়োজনটিকে সফল করে তুলতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।
বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের ফলে আজ আমাদের বাস্তুতন্ত্র মারাত্মক হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। এই কঠিন বাস্তবতাকে উপলব্ধি করেই স্থানীয় এই জনগোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান থেকে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের ছোট কিন্তু প্রভাবশালী উদ্যোগগুলো সাধারণ মানুষের মনে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধ জাগাতে সাহায্য করে। ভবিষ্যতে এমন আরও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া প্রকৃতিকে টিকিয়ে রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 



























