ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সদরপুরে বর্ষার শুরুতে নৌকা তৈরির হিড়িক

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র বাহক নৌযান (নৌকা) তৈরীর বর্তমানে হিড়িক পড়েছে। উপজেলা সদরের সাড়ে সাতরশি বাজার, সদরপুর বাজার, পিঁয়াজখালী বাজার ও আকটেরচর বাজারে বর্তমানে নৌকা তৈরির উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

বর্ষা এলে চরের মানুষের জিবনসঙ্গি হিসাবে ব্যবহারিত হয় এসব নৌকা। এমনকি বর্ষার মৌসুমে বাড়ি থেকে বের হতে হলে নৌকার কোন বিকল্প নেই চরের মানুষের। ঐ সকল নৌকা দিয়ে চরের মানুষ বর্ষা মৌসুমে মাছ শিকার করে ও গরু-ছাগলের ঘাষ কেটে জীবন কাটায়।

উক্ত নৌযান চরের মনুষ এক বছর ব্যবহার করে পরের বছর আবার নতুন নৌকা কিনে থাকে। তাই প্রতি বছর বর্ষা এলে এখানে নৌযান তৈরীর হিড়িক পড়ে যায় উপজেলার বিভিন্ন বাজার জুড়ে। সম্প্রতি সদরপুরের বিভিন্ন এলাকা জুরে দেখা গেছে, কারিগররা নতুন নৌকা তৈরি এবং পুরাতন নৌকা মেরামতের মহাব্যস্ত সময় পার করছে।

জানা গেছে, সদরপুর উপজেলার চন্দ্রপাড়া, চরমানাইড়, চরনাসিরপুর, আকোটেরচর এলাকার মানুষ বর্ষায় ৪ থেকে ৫ মাস বা নিচু এলাকায় এর চেয়েও দীর্ঘ সময় দরে পানিবন্দি থাকে। এসব পানিবন্দি মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। তাই বর্ষা এলেই এলাকারয় নৌকার কদর বেড়ে যায়, সঙ্গে কদও বাড়ে নৌকা তৈরির কারিগরদেরও। জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শুরু হয় নতুন নৌকা তৈরি আর পুরাতন নৌকা মেরামতের কাজ।

চৌধুরীর হাট এলাকার লুৎফর কাড়াল, জামাল শিকদার কান্দি গ্রামের আকাব্বর জঙ্গী, চন্দ্র পাড়া এলাকার লতিফ হাওলাদার ও একই এলাকার মোসলেম কাজী বলেন, বর্ষা মৌসুমে তাদের একমাত্র নৌকাই বাঁচার সম্ভল। বর্তমানে করোনার জন্য লকডাউন চলায় মানুষ বাজারে আসছেনা এতে আমরা আতঙ্কে আছি।

নৌকা বিক্রয়ের সাড়ে সাত রশি বাজারের শুশান্ত বাড়ৈ, পিয়াজখালী হাটের মোহন বাড়ৈ ও আকটেরচর বাজারের দীনেশ মিস্্রী জানান, অতীতে তারা সারা বছর নৌকা তৈরী করে জীবীকা চালাত। বর্তমানে বর্ষার শুরুর জৈষ্ঠ,আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস শুধু নৌকা তৈরী করে। অবশিষ্ঠ ৯ মাস অলস জীবণ কাটায়।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদর বাজারে নৌকা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এআইয়ের যুগে মানুষের বুদ্ধিমত্তাই আসল—ফরিদ জাকারিয়া

error: Content is protected !!

সদরপুরে বর্ষার শুরুতে নৌকা তৈরির হিড়িক

আপডেট টাইম : ০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১
মোঃ হুমায়ুন কবির (তুহিন) সদরপুর, (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ :

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র বাহক নৌযান (নৌকা) তৈরীর বর্তমানে হিড়িক পড়েছে। উপজেলা সদরের সাড়ে সাতরশি বাজার, সদরপুর বাজার, পিঁয়াজখালী বাজার ও আকটেরচর বাজারে বর্তমানে নৌকা তৈরির উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

বর্ষা এলে চরের মানুষের জিবনসঙ্গি হিসাবে ব্যবহারিত হয় এসব নৌকা। এমনকি বর্ষার মৌসুমে বাড়ি থেকে বের হতে হলে নৌকার কোন বিকল্প নেই চরের মানুষের। ঐ সকল নৌকা দিয়ে চরের মানুষ বর্ষা মৌসুমে মাছ শিকার করে ও গরু-ছাগলের ঘাষ কেটে জীবন কাটায়।

উক্ত নৌযান চরের মনুষ এক বছর ব্যবহার করে পরের বছর আবার নতুন নৌকা কিনে থাকে। তাই প্রতি বছর বর্ষা এলে এখানে নৌযান তৈরীর হিড়িক পড়ে যায় উপজেলার বিভিন্ন বাজার জুড়ে। সম্প্রতি সদরপুরের বিভিন্ন এলাকা জুরে দেখা গেছে, কারিগররা নতুন নৌকা তৈরি এবং পুরাতন নৌকা মেরামতের মহাব্যস্ত সময় পার করছে।

জানা গেছে, সদরপুর উপজেলার চন্দ্রপাড়া, চরমানাইড়, চরনাসিরপুর, আকোটেরচর এলাকার মানুষ বর্ষায় ৪ থেকে ৫ মাস বা নিচু এলাকায় এর চেয়েও দীর্ঘ সময় দরে পানিবন্দি থাকে। এসব পানিবন্দি মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। তাই বর্ষা এলেই এলাকারয় নৌকার কদর বেড়ে যায়, সঙ্গে কদও বাড়ে নৌকা তৈরির কারিগরদেরও। জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শুরু হয় নতুন নৌকা তৈরি আর পুরাতন নৌকা মেরামতের কাজ।

চৌধুরীর হাট এলাকার লুৎফর কাড়াল, জামাল শিকদার কান্দি গ্রামের আকাব্বর জঙ্গী, চন্দ্র পাড়া এলাকার লতিফ হাওলাদার ও একই এলাকার মোসলেম কাজী বলেন, বর্ষা মৌসুমে তাদের একমাত্র নৌকাই বাঁচার সম্ভল। বর্তমানে করোনার জন্য লকডাউন চলায় মানুষ বাজারে আসছেনা এতে আমরা আতঙ্কে আছি।

নৌকা বিক্রয়ের সাড়ে সাত রশি বাজারের শুশান্ত বাড়ৈ, পিয়াজখালী হাটের মোহন বাড়ৈ ও আকটেরচর বাজারের দীনেশ মিস্্রী জানান, অতীতে তারা সারা বছর নৌকা তৈরী করে জীবীকা চালাত। বর্তমানে বর্ষার শুরুর জৈষ্ঠ,আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস শুধু নৌকা তৈরী করে। অবশিষ্ঠ ৯ মাস অলস জীবণ কাটায়।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদর বাজারে নৌকা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা।