জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের আওতায় নতুন কোম্পানির অধীনে বাস চলাচল শুরু হলেও বাস্তবিক চিত্র এখনো আগের মতোই রয়ে গেছে। প্রজাপতি, পরিস্থান ও বিকাশ পরিবহনের সমন্বয়ে গঠিত পিপিবি পরিবহন এবং ভিআইপি পরিবহনের মতো নতুন কোম্পানিগুলোর বাসে কেবল নামমাত্র স্টিকার পরিবর্তন করা হয়েছে। অথচ বাসগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার পুরোনো দৃশ্য একটুও বদলায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিমানবন্দর থেকে মিরপুর এবং গাজীপুর থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির রুটে চলাচলকারী বাসগুলোর গায়ে নতুন কোম্পানির নাম সাঁটানো হলেও নিচে আগের নামগুলোও স্পষ্ট রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাউন্টার বা টিকিট বিক্রয়কেন্দ্র থেকে যাত্রী ওঠানামার কথা থাকলেও কোথাও কোনো টিকিট বুথ চোখে পড়েনি। চালকের সহকারীরা আগের মতোই মূল সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে হাঁকডাক দিয়ে যাত্রী তুলছেন এবং আসন পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত গাড়ি আটকে রাখছেন।
বাসচালকের সহকারীরা জানিয়েছেন, কোম্পানি থেকে এখনো তাঁদের হাতে কোনো টিকিট বা নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। টিকিট ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় তাঁরা বাধ্য হয়ে আগের নিয়মে নগদ টাকায় ভাড়া আদায় করছেন এবং যেখানে যাত্রীর দেখা মিলছে সেখানেই বাস থামাচ্ছেন। এমনকি নতুন কোম্পানির এই বহরে অনেক পুরনো ও লক্কড়ঝক্কড় বাস বহাল তবিয়তে চলাচল করছে, যা যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ও লাইনম্যানদের মতে, পুরো প্রক্রিয়াটিতে অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই নতুন ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে পুরোনো বাসগুলোকেই রং ও স্টিকার বদলে নামানো হয়েছে, যার ফলে সেবার মানে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 





















