ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রাজউকের নতুন উপশহর হচ্ছে পদ্মা সেতু ঘিরে

-পদ্মা সেতু।

পদ্মা সেতু ঘিরে কেরানীগঞ্জ উপজেলায় আরও একটি উপশহর করতে যাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক। এখানে পরিকল্পিত আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় তারা। ইতিমধ্যে ডিপিপি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। রাজউক বলছে, পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেস হাইওয়ে নির্মাণের কারণে কেরানীগঞ্জে দ্রুত নগরায়ণ ঘটছে। যার কারণে জলাধার সংরক্ষণ, অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও বিচ্ছিন্নভাবে নগরায়ণকে নিরুত্সাহিত করতে জলকেন্দ্রিক একটি পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার জন্য এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

রাজউক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে রোডের পাশে কেরানীগঞ্জ উপজেলায় বাস্তা ইউনিয়নে ৪ হাজার ৭০০ একর ভূমি নিয়ে গড়ে উঠবে উপশহরটি। প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এবার আর প্লট আকারে না দিয়ে, ব্লকভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে এককভাবে কাউকে প্লট না দিয়ে এক বিঘার প্লট চার জন বা অধিক লোককে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

উপশহরে হবে একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিজ, ওয়্যার হাউজ ও ব্যাংকপাড়া। উপশহরটিতে সাড়ে ৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এক একটি ভবনের উচ্চতা হবে কমপক্ষে ২০তলা। প্রকল্প এলাকায় ২০ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে গ্রিন স্পেস ও জলাভূমি হিসেবে। এছাড়া মাঠ, বাজারসহ সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে এখানে। এই উপশহরকে বিজনেস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় রাজউক। রাজউকের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ঘোষণার পর এটিই প্রথম ব্লকভিত্তিক উন্নয়ন করে একটি আন্তর্জাতিক মানের শহর গড়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের অর্থের জোগান নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করতে চায় তারা। সেটি সম্ভব না হলে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় কাজ করার চিন্তাভাবনা করছে সংস্থাটি। প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার পর থেকে সাত বছরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় রাজউক। এজন্য দেশি বড় বড় আবাসন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে পারে। আবার কোনো প্রতিষ্ঠানকে লিজও দিতে পারে। বর্তমানে প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্তের কাজ চলছে। আগামী ছয় মাস পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) সভায় প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হবে। এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম বলেন, সরকার যদি এখানে উদ্যোগ না নেয়, তাহলে অপরিকল্পিতভাবে এখানে নগরায়ণ হবে। ঘিঞ্জি এলাকা গড়ে উঠবে। তাই সরকারিভাবে আমরা পরিকল্পিতভাবে করার উদ্যোগ নিচ্ছি। ঢাকা শহরে আমরা যে আবাসিক প্রকল্পগুলো করেছি এগুলো বেশির ভাগই আবাসনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এই প্রকল্পে আমরা কিছু জিনিসকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এর মধ্যে ইকোলজিক্যাল ব্যালেন্স। এখানে ৪০০ একর জায়গায় একটি পার্ক তৈরি করা হবে। অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মিশ্র আকারের একটি প্রকল্প হবে এটি। বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে এখানে। এছাড়া সারা দেশের সঙ্গে সংযোগ রেখে সার্কুলার রোড  নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

 


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী নেত্রী আন্না মিনজ

error: Content is protected !!

রাজউকের নতুন উপশহর হচ্ছে পদ্মা সেতু ঘিরে

আপডেট টাইম : ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডেস্কঃ :

পদ্মা সেতু ঘিরে কেরানীগঞ্জ উপজেলায় আরও একটি উপশহর করতে যাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক। এখানে পরিকল্পিত আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় তারা। ইতিমধ্যে ডিপিপি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। রাজউক বলছে, পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেস হাইওয়ে নির্মাণের কারণে কেরানীগঞ্জে দ্রুত নগরায়ণ ঘটছে। যার কারণে জলাধার সংরক্ষণ, অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও বিচ্ছিন্নভাবে নগরায়ণকে নিরুত্সাহিত করতে জলকেন্দ্রিক একটি পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার জন্য এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

রাজউক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে রোডের পাশে কেরানীগঞ্জ উপজেলায় বাস্তা ইউনিয়নে ৪ হাজার ৭০০ একর ভূমি নিয়ে গড়ে উঠবে উপশহরটি। প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এবার আর প্লট আকারে না দিয়ে, ব্লকভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে এককভাবে কাউকে প্লট না দিয়ে এক বিঘার প্লট চার জন বা অধিক লোককে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

উপশহরে হবে একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিজ, ওয়্যার হাউজ ও ব্যাংকপাড়া। উপশহরটিতে সাড়ে ৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এক একটি ভবনের উচ্চতা হবে কমপক্ষে ২০তলা। প্রকল্প এলাকায় ২০ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে গ্রিন স্পেস ও জলাভূমি হিসেবে। এছাড়া মাঠ, বাজারসহ সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে এখানে। এই উপশহরকে বিজনেস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় রাজউক। রাজউকের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ঘোষণার পর এটিই প্রথম ব্লকভিত্তিক উন্নয়ন করে একটি আন্তর্জাতিক মানের শহর গড়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের অর্থের জোগান নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করতে চায় তারা। সেটি সম্ভব না হলে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় কাজ করার চিন্তাভাবনা করছে সংস্থাটি। প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার পর থেকে সাত বছরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় রাজউক। এজন্য দেশি বড় বড় আবাসন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে পারে। আবার কোনো প্রতিষ্ঠানকে লিজও দিতে পারে। বর্তমানে প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্তের কাজ চলছে। আগামী ছয় মাস পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) সভায় প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হবে। এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম বলেন, সরকার যদি এখানে উদ্যোগ না নেয়, তাহলে অপরিকল্পিতভাবে এখানে নগরায়ণ হবে। ঘিঞ্জি এলাকা গড়ে উঠবে। তাই সরকারিভাবে আমরা পরিকল্পিতভাবে করার উদ্যোগ নিচ্ছি। ঢাকা শহরে আমরা যে আবাসিক প্রকল্পগুলো করেছি এগুলো বেশির ভাগই আবাসনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এই প্রকল্পে আমরা কিছু জিনিসকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এর মধ্যে ইকোলজিক্যাল ব্যালেন্স। এখানে ৪০০ একর জায়গায় একটি পার্ক তৈরি করা হবে। অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্র্রিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মিশ্র আকারের একটি প্রকল্প হবে এটি। বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে এখানে। এছাড়া সারা দেশের সঙ্গে সংযোগ রেখে সার্কুলার রোড  নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

 


প্রিন্ট