ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মাত্র ১০ টাকায় বই পড়ার সুযোগ, ফরিদপুরে জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির

মানিক কুমার দাসঃ

 

আলোকিত মানুষ চাই ‌ এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের যাত্রা। দীর্ঘ দিনের পথচলায় ‌তারা ‌ তাদের এই কাজটা অব্যাহত রেখেছেন। সারাদেশেই ‌ তাদের শাখা রয়েছে ‌। তাদের কর্মীরা ‌শুধু ফরিদপুরে সদরেই নয় ‌ বিভিন্ন উপজেলাতে ‌ও পিকআপে করে ‌ পাঠকদের হাতে ‌ বই তুলে দিচ্ছেন।
জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ২০০৭ সাল থেকে ফরিদপুরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি। একটি পিকআপ‌ ভ্যানের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে পাঠকদের হাতে বই পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, প্রতি মাসে মাত্র ১০ টাকা সদস্য চাঁদা দিয়ে পাঠকরা এই লাইব্রেরি থেকে বই সংগ্রহ করে পড়ার সুযোগ পান। লাইব্রেরির সংগ্রহে রয়েছে বাংলা সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, বিজ্ঞান কল্পকাহিনি (সাইন্স ফিকশন), গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের বই। বর্তমানে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই পিকআপে প্রায় ৮ হাজার বই রয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি। কয়েক বছর আগে পাঠকসংখ্যা কিছুটা কমে গেলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন।

ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়িটি সপ্তাহে ছয় দিন ফরিদপুর শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে সদস্যদের বই বিতরণ ও ফেরত নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ ধরে রাখতে এবং পাঠাভ্যাস বিস্তারে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বই মানুষের জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটায়—এই বিশ্বাস থেকেই তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং আগামীতে ‌ তা অবাহত ‌ থাকবে বলে ‌ এ প্রতিবেদককে জানান।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় দুই শিশুকে সড়কের পাশে রেখে যাওয়ার অভিযোগ

error: Content is protected !!

মাত্র ১০ টাকায় বই পড়ার সুযোগ, ফরিদপুরে জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির

আপডেট টাইম : ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :

মানিক কুমার দাসঃ

 

আলোকিত মানুষ চাই ‌ এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের যাত্রা। দীর্ঘ দিনের পথচলায় ‌তারা ‌ তাদের এই কাজটা অব্যাহত রেখেছেন। সারাদেশেই ‌ তাদের শাখা রয়েছে ‌। তাদের কর্মীরা ‌শুধু ফরিদপুরে সদরেই নয় ‌ বিভিন্ন উপজেলাতে ‌ও পিকআপে করে ‌ পাঠকদের হাতে ‌ বই তুলে দিচ্ছেন।
জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ২০০৭ সাল থেকে ফরিদপুরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি। একটি পিকআপ‌ ভ্যানের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে পাঠকদের হাতে বই পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, প্রতি মাসে মাত্র ১০ টাকা সদস্য চাঁদা দিয়ে পাঠকরা এই লাইব্রেরি থেকে বই সংগ্রহ করে পড়ার সুযোগ পান। লাইব্রেরির সংগ্রহে রয়েছে বাংলা সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, বিজ্ঞান কল্পকাহিনি (সাইন্স ফিকশন), গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের বই। বর্তমানে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই পিকআপে প্রায় ৮ হাজার বই রয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি। কয়েক বছর আগে পাঠকসংখ্যা কিছুটা কমে গেলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন।

ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়িটি সপ্তাহে ছয় দিন ফরিদপুর শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে সদস্যদের বই বিতরণ ও ফেরত নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ ধরে রাখতে এবং পাঠাভ্যাস বিস্তারে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বই মানুষের জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটায়—এই বিশ্বাস থেকেই তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং আগামীতে ‌ তা অবাহত ‌ থাকবে বলে ‌ এ প্রতিবেদককে জানান।