ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মাগুরায় নৈরাজ্য দূর করার দাবিতে গণকমিটির সমাবেশ 

চাল-ডাল-তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানোর এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে নৈরাজ্য দূর করার দাবিতে গণকমিটি মাগুরা জেলার উদ্যোগে আজ বুধবার ১৫ জুন ২০২২ সকাল ১১টায় চৌরঙ্গী মোড়ে মাগুরা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণকমিটির আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলী এবং সমাবেশ পরিচালনা করেন সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু। বক্তব্য প্রদান করেন, গণকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক  কাজী নজরুল ইসলাম ফিরোজ, গণকমিটি মাগুরা জেলার অন্যতম সদস্য বাসারুল হায়দার বাচ্চু।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে প্রচুর চাল। কিন্তু কয়েকটি বড় কম্পানি সিন্ডিকেট করে সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ মুখে মুখে ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করেন, কয়দিন লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হয়। তারপর যথারীতি বর্ধিত দামে জনগণকে চাল কিনতে হয়। অবৈধ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা আরও মুনাফা করে; তাদের কোন শাস্তি হয় না। এই চিত্র সয়াবিন তেল, ডালসহ সকল নিত্যপণ্যের বেলায় সত্য।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মাগুরা জেলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য চলছে। এখানে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ক্লিনিক গজিয়ে উঠেছে। এগুলোতে কখনো নার্স ডাক্তার সেজে অপারেশন করে রোগী মেরে ফেলে, কখনো রোগীর শরীরে অন্য গ্রুপের রক্ত ঢুকিয়ে মেরে ফেলে। তারপর এদের কিছু জরিমানা হয়; কয়দিন ক্লিনিক বন্ধ থাকে; তারপর উপর মহলে টাকা দিয়ে আবারও খুলে যায় এসব ক্লিনিক। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অপর্যাপ্ত। ওষুধ, টেস্ট, অপারেশনসহ বেশিরভাগ  চিকিৎসা হাসপাতালের বাইরে থেকে নিতে হয়। ফলে রোগীরা এসব ক্লিনিকে যেতে একভাবে বাধ্য হয় এবং অপচিকিৎসার শিকার হন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম ভেঙে ভোজ্য তেল, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, মজুতদার ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ীদের শাস্তি, রেশনিং ব্যাবস্থা চালু করতে হবে এবং মাগুরা জেলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে নৈরাজ্য বন্ধ করে, সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল

error: Content is protected !!

মাগুরায় নৈরাজ্য দূর করার দাবিতে গণকমিটির সমাবেশ 

আপডেট টাইম : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুন ২০২২
ফারুক আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার, মাগুরাঃ :
চাল-ডাল-তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানোর এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে নৈরাজ্য দূর করার দাবিতে গণকমিটি মাগুরা জেলার উদ্যোগে আজ বুধবার ১৫ জুন ২০২২ সকাল ১১টায় চৌরঙ্গী মোড়ে মাগুরা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণকমিটির আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলী এবং সমাবেশ পরিচালনা করেন সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু। বক্তব্য প্রদান করেন, গণকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক  কাজী নজরুল ইসলাম ফিরোজ, গণকমিটি মাগুরা জেলার অন্যতম সদস্য বাসারুল হায়দার বাচ্চু।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে প্রচুর চাল। কিন্তু কয়েকটি বড় কম্পানি সিন্ডিকেট করে সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ মুখে মুখে ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করেন, কয়দিন লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হয়। তারপর যথারীতি বর্ধিত দামে জনগণকে চাল কিনতে হয়। অবৈধ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা আরও মুনাফা করে; তাদের কোন শাস্তি হয় না। এই চিত্র সয়াবিন তেল, ডালসহ সকল নিত্যপণ্যের বেলায় সত্য।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মাগুরা জেলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য চলছে। এখানে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ক্লিনিক গজিয়ে উঠেছে। এগুলোতে কখনো নার্স ডাক্তার সেজে অপারেশন করে রোগী মেরে ফেলে, কখনো রোগীর শরীরে অন্য গ্রুপের রক্ত ঢুকিয়ে মেরে ফেলে। তারপর এদের কিছু জরিমানা হয়; কয়দিন ক্লিনিক বন্ধ থাকে; তারপর উপর মহলে টাকা দিয়ে আবারও খুলে যায় এসব ক্লিনিক। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অপর্যাপ্ত। ওষুধ, টেস্ট, অপারেশনসহ বেশিরভাগ  চিকিৎসা হাসপাতালের বাইরে থেকে নিতে হয়। ফলে রোগীরা এসব ক্লিনিকে যেতে একভাবে বাধ্য হয় এবং অপচিকিৎসার শিকার হন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম ভেঙে ভোজ্য তেল, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, মজুতদার ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ীদের শাস্তি, রেশনিং ব্যাবস্থা চালু করতে হবে এবং মাগুরা জেলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে নৈরাজ্য বন্ধ করে, সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।