দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের রায়পুর গ্রামে ভাগ্নেদের হাতুড়িপেটায় আব্দুল কুদ্দুস মোল্যা (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। নিহত কুদ্দুস মোল্যা ওই গ্রামের মৃত ছত্তার মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় আরো আহত হয়েছেন অন্তসত্তা সুইটি সুলতানা (২৬), নাদিমা (৩৫) ও জুয়েল রানা (৩৫)। তাদেরকে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের ছেলে রাজিব আহম্মেদ জানান, কুদ্দুস মোল্যার সাথে তাঁর দুই বোনের ছেলেদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমির লিচু পাড়তে না দেওয়ায় ভাগ্নের হাতে হামলার শিকার হন তিনি। ঘটনার সময় শুক্রবার ইফতারের আগমুহূর্তে দুই বোনের ছেলে মুসা ও ইব্রাহিমের সাথে আরে ৫/৬ বাড়িতে এসে তাঁর কুদ্দুস মোল্লার উপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তাকে হাতুড়িপেটা করে পালিয়ে যান। এ সময় গুরুত্বর আহত তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে ফরিদপুর হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শনিবার দুপুরে আব্দুল কুদ্দুসের মৃত্যু হয়। হামলার সাথে জড়িত অভিযুক্ত ভাগ্নে মুসা উপজেলা সদরের রায়পুর গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে ও আরেক ভাগ্নে ইব্রাহিম উপজেলার আড়মাঝি গ্রামের দাউদ ফকিরের ছেলে। মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারক বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে এখনও কোন মামলা হয়নি। লাশ ঢাকা থেকে আসার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের রায়পুর গ্রামে ভাগ্নেদের হাতুড়িপেটায় আব্দুল কুদ্দুস মোল্যা (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন।
নিহত কুদ্দুস মোল্যা ওই গ্রামের মৃত ছত্তার মোল্যার ছেলে।
এ ঘটনায় আরো আহত হয়েছেন অন্তসত্তা সুইটি সুলতানা (২৬), নাদিমা (৩৫) ও জুয়েল রানা (৩৫)। তাদেরকে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের ছেলে রাজিব আহম্মেদ জানান, কুদ্দুস মোল্যার সাথে তাঁর দুই বোনের ছেলেদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমির লিচু পাড়তে না দেওয়ায় ভাগ্নের হাতে হামলার শিকার হন তিনি।
ঘটনার সময় শুক্রবার ইফতারের আগমুহূর্তে দুই বোনের ছেলে মুসা ও ইব্রাহিমের সাথে আরে ৫/৬ বাড়িতে এসে তাঁর কুদ্দুস মোল্লার উপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তাকে হাতুড়িপেটা করে পালিয়ে যান। এ সময় গুরুত্বর আহত তিনি।
গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে ফরিদপুর হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শনিবার দুপুরে আব্দুল কুদ্দুসের মৃত্যু হয়।
হামলার সাথে জড়িত অভিযুক্ত ভাগ্নে মুসা উপজেলা সদরের রায়পুর গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে ও আরেক ভাগ্নে ইব্রাহিম উপজেলার আড়মাঝি গ্রামের দাউদ ফকিরের ছেলে।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারক বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে এখনও কোন মামলা হয়নি। লাশ ঢাকা থেকে আসার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।