আপডেট টাইম :
০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৩৭
বার পঠিত
নলছিটিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠান না করে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
মোঃ আমিন হোসেনঃ সারাদেশের ন্যায় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী অনুষ্ঠান পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে নলছিটি উপজেলার হয়বৎপুর তৌকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো আয়োজন করে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিদ্যালয়ে কোনো সরকারি অনুষ্ঠান পালিত হয়নি। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়াও জুলাই-আগস্ট মাসে নিহতদের স্মরণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার জন্য সরকারি বরাদ্দের টাকাও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম দাবি করেন, সকাল ৯টায় অনুষ্ঠান হয়েছে কিন্তু ছবি তোলা হয়নি। তিনি স্কুলে উপস্থিত না থাকায় অন্যান্য শিক্ষকরা মিলে অনুষ্ঠান করেছেন।কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যের সত্যতা মেলেনি। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মো. কামরুজ্জামান রেজা বলেন, আজ বিদ্যালয়ে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠান করা বাধ্যতামূলক ছিল। ওই বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করা হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মোঃ আমিন হোসেনঃ
সারাদেশের ন্যায় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী অনুষ্ঠান পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে নলছিটি উপজেলার হয়বৎপুর তৌকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো আয়োজন করে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিদ্যালয়ে কোনো সরকারি অনুষ্ঠান পালিত হয়নি। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়াও জুলাই-আগস্ট মাসে নিহতদের স্মরণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার জন্য সরকারি বরাদ্দের টাকাও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম দাবি করেন, সকাল ৯টায় অনুষ্ঠান হয়েছে কিন্তু ছবি তোলা হয়নি। তিনি স্কুলে উপস্থিত না থাকায় অন্যান্য শিক্ষকরা মিলে অনুষ্ঠান করেছেন।কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যের সত্যতা মেলেনি।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মো. কামরুজ্জামান রেজা বলেন, আজ বিদ্যালয়ে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠান করা বাধ্যতামূলক ছিল। ওই বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করা হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।