ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

‘ট্রাম্পই এখনো আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, কেন এমন বার্তা দিল হোয়াইট হাউস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের বড় ধরনের সাফল্যের পর দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একটি ব্যঙ্গাত্মক বার্তা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই পোস্টটিতে ট্রাম্পকে দাপ্তরিক ডেস্কের ওপর ঝুঁকে থাকতে দেখা যায় এবং ছবির ক্যাপশনে লেখা হয় যে ট্রাম্পই এখনো দেশের প্রেসিডেন্ট। নির্বাচনের এই ফলাফলের পরপরই হোয়াইট হাউসের এমন অদ্ভুত ও বিদ্রূপাত্মক আচরণ রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। মার্কিন রাজনীতিতে দল দুটির মধ্যকার চলমান উত্তেজনারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই ঘটনার মাধ্যমে।

নির্বাচনের এই ফল অনুযায়ী মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণই চলে গেছে ডেমোক্র্যাটদের হাতে। এতদিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ট্রাম্পের জন্য নিজের পছন্দমতো আইন প্রণয়ন ও নীতি বাস্তবায়ন করা বেশ সহজ ছিল। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা এবং নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে যাচ্ছে। নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে প্রশাসনের যেকোনো কার্যক্রমে বিরোধী দলের প্রভাব উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচনি ফলাফল হাতে আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের প্রতিক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যের কথা স্বীকার করে নেন। তবে তিনি দাবি করেন যে তিনি নিজে যদি সরাসরি এই নির্বাচনে প্রার্থী হতেন তবে রিপাবলিকানরা আরও অনেক ভালো ফলাফল করতে পারত। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ওপর যে সাময়িক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছিল, ভোটাররা মূলত সে কারণেই এই রায় দিয়েছেন বলে তার ধারণা। নিজের ইরান নীতির প্রতি ভোটারদের সমর্থন ছিল বলে দাবি করলেও ব্যক্তিগত পরাজয় হিসেবে এই ফলাফলকে মেনে নিতে নারাজ ছিলেন তিনি।

সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সমঝোতার পথ খোলা রাখার সদিচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী দলের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়ে তিনি বলেন যে অনেক বিষয়েই তারা একত্রে কাজ করতে প্রস্তুত। ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনি প্রচারণার দক্ষতার প্রশংসা করলেও তিনি জোর দিয়ে বলেন যে তার দলও এই নির্বাচনে জয়ের জন্য যথেষ্ট কঠোর পরিশ্রম করেছিল। মূলত ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে এই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুই পক্ষের পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই দেশের ভবিষ্যৎ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এগোবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদ প্রকাশের জেরে গ্রেপ্তারে নিতে হবে আদালতের পূর্বানুমতি

error: Content is protected !!

‘ট্রাম্পই এখনো আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, কেন এমন বার্তা দিল হোয়াইট হাউস

আপডেট টাইম : ২২ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের বড় ধরনের সাফল্যের পর দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একটি ব্যঙ্গাত্মক বার্তা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই পোস্টটিতে ট্রাম্পকে দাপ্তরিক ডেস্কের ওপর ঝুঁকে থাকতে দেখা যায় এবং ছবির ক্যাপশনে লেখা হয় যে ট্রাম্পই এখনো দেশের প্রেসিডেন্ট। নির্বাচনের এই ফলাফলের পরপরই হোয়াইট হাউসের এমন অদ্ভুত ও বিদ্রূপাত্মক আচরণ রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। মার্কিন রাজনীতিতে দল দুটির মধ্যকার চলমান উত্তেজনারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই ঘটনার মাধ্যমে।

নির্বাচনের এই ফল অনুযায়ী মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণই চলে গেছে ডেমোক্র্যাটদের হাতে। এতদিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ট্রাম্পের জন্য নিজের পছন্দমতো আইন প্রণয়ন ও নীতি বাস্তবায়ন করা বেশ সহজ ছিল। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা এবং নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে যাচ্ছে। নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে প্রশাসনের যেকোনো কার্যক্রমে বিরোধী দলের প্রভাব উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচনি ফলাফল হাতে আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের প্রতিক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যের কথা স্বীকার করে নেন। তবে তিনি দাবি করেন যে তিনি নিজে যদি সরাসরি এই নির্বাচনে প্রার্থী হতেন তবে রিপাবলিকানরা আরও অনেক ভালো ফলাফল করতে পারত। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ওপর যে সাময়িক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছিল, ভোটাররা মূলত সে কারণেই এই রায় দিয়েছেন বলে তার ধারণা। নিজের ইরান নীতির প্রতি ভোটারদের সমর্থন ছিল বলে দাবি করলেও ব্যক্তিগত পরাজয় হিসেবে এই ফলাফলকে মেনে নিতে নারাজ ছিলেন তিনি।

সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সমঝোতার পথ খোলা রাখার সদিচ্ছা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী দলের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়ে তিনি বলেন যে অনেক বিষয়েই তারা একত্রে কাজ করতে প্রস্তুত। ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনি প্রচারণার দক্ষতার প্রশংসা করলেও তিনি জোর দিয়ে বলেন যে তার দলও এই নির্বাচনে জয়ের জন্য যথেষ্ট কঠোর পরিশ্রম করেছিল। মূলত ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে এই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুই পক্ষের পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই দেশের ভবিষ্যৎ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এগোবে বলে মনে করা হচ্ছে।