আপডেট টাইম :
১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
২৮৫
বার পঠিত
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। সে সঙ্গে উভয়কেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়ন এর মহানন্দপুর গ্রামের সাগর আহমেদ (২১) এবং একই উপজেলার জিতাশ্বরি মরিচকু রিচালা গ্রামের নাইচ আহমেদ (২১)। এ মামলার অপর আসামি ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দিয়েছে আদালত। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সহকারি কৌশুলি (এপিপি) মো. আব্দুর রহিম জানান, দণ্ডিত সাগর ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়েন। ২০২২ সালের ২৯ জুন রাত নয়টার দিকে নাইচকে নিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। পরে ওই ছাত্রীকে বাসারচালা পশ্চিমপাড়া একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরদিন তারা আবার ওই একইস্থানে ডেকে নিয়ে পুনরায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। আরও পড়ুনঃ তানোর পোস্ট অফিসের কোটি টাকা গায়েব এই রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত দুইজনকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের দায়ে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। সে সঙ্গে উভয়কেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়ন এর মহানন্দপুর গ্রামের সাগর আহমেদ (২১) এবং একই উপজেলার জিতাশ্বরি মরিচকু রিচালা গ্রামের নাইচ আহমেদ (২১)।
এ মামলার অপর আসামি ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দিয়েছে আদালত।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সহকারি কৌশুলি (এপিপি) মো. আব্দুর রহিম জানান, দণ্ডিত সাগর ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়েন। ২০২২ সালের ২৯ জুন রাত নয়টার দিকে নাইচকে নিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। পরে ওই ছাত্রীকে বাসারচালা পশ্চিমপাড়া একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরদিন তারা আবার ওই একইস্থানে ডেকে নিয়ে পুনরায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।