ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

error: Content is protected !!

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।