হুমায়ন আহমেদঃ
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভালাইপুর মোড়ের সার ডিলার দিশা এন্টারপ্রাইজ থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া সার স্থানীয়দের সন্দেহে আটক হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে গোকুলখালী বাজারে সাধারণ মানুষ দুটি ভ্যান থামিয়ে তল্লাশি করলে বেরিয়ে আসে পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ভ্যান দুটিতে মোট ১০ বস্তা ইউরিয়া ও ১০ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। স্থানীয়দের দাবি—এই সারগুলো দিশা এন্টারপ্রাইজ থেকে মেহেরপুরের দরবেশপুর এবং দামুড়হুদার দলিয়ারপুর গ্রামের দিকে পাচার করা হচ্ছিল। কাগজপত্র ও উদ্দেশ্য অস্পষ্ট হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা লিটন আহম্মেদ, আফজাল মাহমুদ এবং আরিফুর রহমান। তারা সারগুলো জব্দ করে উপজেলা কৃষি অফিসার মাসুদ হোসেন পলাশের নির্দেশনায় ন্যায্যমূল্যে ১৯ জন স্থানীয় কৃষকের কাছে বিক্রি করেন। পরে সার বিক্রির পুরো টাকা সরকারি কোষাগারে নির্দিষ্ট কোডে আলমডাঙ্গা সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি জামাল সাদিক, কাইফ আহম্মেদ, মোক্তার হোসেন, সজল হোসেনসহ আরও অনেকে অভিযোগ করে বলেন- “দিশা এন্টারপ্রাইজ থেকে প্রায়ই এইভাবে সার পাচার করা হয়। বেশিরভাগ সময়ই তা ধরা পড়ে না। সরকারি দামের সার বেশি লাভের আশায় অন্য এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।”
অন্যদিকে স্থানীয় কৃষক জামিরুল ইসলাম ও আনিছুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- “আমরা সারের জন্য হাহাকার করি, কিন্তু এরা নিয়মিতভাবে লুকিয়ে সার বাইরে পাঠায়। প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি জরুরি।”
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কৃষক ও সাধারণ মানুষের দাবি সরকারি বরাদ্দের সার যেন প্রকৃত কৃষকদের হাতেই পৌঁছায় এবং সার পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
প্রিন্ট

বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে 
হুমায়ন আহমেদ, আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 



















