গোলাম রাব্বীঃ
রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের পাকুড়িয়া শরীফ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা আনজুমান আরা বেগমের বিরুদ্ধে আবারও নানা অনিয়ম ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মাহমুদ হাসান মৃধা-এর কাছে দ্রুত তার অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিদ্যালয়ের বাথরুম, পাপস, চট ও গামছা পরিষ্কার করানো হয়।, শিক্ষার্থীদের সাথে অসালিন আচরণ করেন।, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।, নিয়মিত মাসিক অভিভাবক সমাবেশ করেন না।, সরকারি বিভিন্ন ফান্ড ও শ্রমিকদের মজুরি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন করতে অনিহা প্রকাশ করেন। দক্ষতার সাথে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এসব বিষয়ে অতীতে একাধিকবার তাকে সতর্ক করা হলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং তারিখে একই ধরনের অভিযোগের সত্যতা প্রমানের প্রেক্ষিতে তিনি অনিয়ম থেকে বিরত থাকার মুসলেকা দেন। কিন্তু অল্প কিছুদিন পরই আবারও আগের মতো কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমাদের সন্তানরা মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক।”
তবে প্রধান শিক্ষক আনজুমান আরা বেগমের মন্তব্যের জন্য বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এবং এ উল্লেখ্য বিষয়ে উপজেলে শিক্ষা অফিসার এর নিকট (সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার) জনাব নাসরিন আক্তার মহাদয়’কে একাধিকবার অবগত করার পরেও স্বজন প্রীতির কারনে কোন সুষ্ঠ ফলাল পাওয়া যায়নি বলে অভিভাবকরা দ্বাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা’র নিকট বিশেষ আবেদন খুব দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন অভিভাকরা । অভিভাবক ও স্থানীয়রা দাবি করেছেন, শিক্ষার মান ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে অবিলম্বে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রিন্ট

বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে 
গোলাম রাব্বী, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি 



















