ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়া হাসপাতালে ২৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ২০৬ শিশু

কুষ্টিয়ায় শিশুদের জ্বর, ঠান্ডাজনিত রোগের পাশাপাশি ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ২৮ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ২০৬ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। শয্যা সংকটের কারণে অধিকাংশ শিশুর ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে। এদিকে জনবল সংকট ও অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিনই জেলা এবং জেলার বাইরে থেকে শিশুরা ভিড় জমাচ্ছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আক্রান্ত রোগীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। শয্যা সংকটের কারণে এক শয্যায় গাদাগাদি করে একাধিক রোগীকেও চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। রোগীদের ভিড়ে শিশু ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে জ্বর, ঠান্ডা, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে গেছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে রোগীর সংখ্যা অনেক গুণ বেড়ে গেছে।

ডা. এম এ মোমেন বলেন, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ২৮ শয্যার বিপরীতে এখন ২০৬ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। সেবা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রোববার সকালে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের প্রবেশ পথে শতশত রোগীর অভিভাবক ও স্বজনরা গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন। ওয়ার্ডের ভেতরেও ভিড়। ভিড়ের মধ্যেই চিকিৎসকরা শিশু রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। সোমবার হাসপাতালে বারান্দায় গিয়ে দেখা যায়, মায়ের কোলের উপর রেখেই দেওয়া হচ্ছে স্যালাইন এবং ইনজেকশন। পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও জনবল ও জায়গার অভাব রয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের লোকজনের হাত থাকতে পারে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়া হাসপাতালে ২৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ২০৬ শিশু

আপডেট টাইম : ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১
ইসমাইল হোসেন বাবু, কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ :

কুষ্টিয়ায় শিশুদের জ্বর, ঠান্ডাজনিত রোগের পাশাপাশি ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ২৮ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ২০৬ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। শয্যা সংকটের কারণে অধিকাংশ শিশুর ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে। এদিকে জনবল সংকট ও অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিনই জেলা এবং জেলার বাইরে থেকে শিশুরা ভিড় জমাচ্ছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আক্রান্ত রোগীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। শয্যা সংকটের কারণে এক শয্যায় গাদাগাদি করে একাধিক রোগীকেও চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। রোগীদের ভিড়ে শিশু ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে জ্বর, ঠান্ডা, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে গেছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে রোগীর সংখ্যা অনেক গুণ বেড়ে গেছে।

ডা. এম এ মোমেন বলেন, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ২৮ শয্যার বিপরীতে এখন ২০৬ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। সেবা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রোববার সকালে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের প্রবেশ পথে শতশত রোগীর অভিভাবক ও স্বজনরা গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন। ওয়ার্ডের ভেতরেও ভিড়। ভিড়ের মধ্যেই চিকিৎসকরা শিশু রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। সোমবার হাসপাতালে বারান্দায় গিয়ে দেখা যায়, মায়ের কোলের উপর রেখেই দেওয়া হচ্ছে স্যালাইন এবং ইনজেকশন। পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও জনবল ও জায়গার অভাব রয়েছে।