কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে আবুল হোসেন নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে মইজুদ্দিন শাহ নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, তাকে অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুহুল আমিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মইজুদ্দিন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সলুয়া গ্রামের রতন শাহ্ এর ছেলে। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, দৌলতপুরের সলুয়া গ্রামের আবুল হোসেনের সঙ্গে পূর্ব বিরোধ ছিল একই গ্রামের মইজুদ্দিনের। এর জের ধরে ২০২০ সালের ২২ জুন বাড়ির পাশের পাটক্ষেতে ঘাস কাটার সময় আবুল হোসেনকে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করেন মইজুদ্দিন। এ সময় আবুল হোসেনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার পরের দিন তার মৃত্যু হয়। আরও পড়ুনঃ কোম্পানীগঞ্জে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, থানায় মামলা এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৩ জুন নিহতের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক নিশিকান্ত সরকার একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে আবুল হোসেন নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে মইজুদ্দিন শাহ নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, তাকে অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুহুল আমিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মইজুদ্দিন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সলুয়া গ্রামের রতন শাহ্ এর ছেলে।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, দৌলতপুরের সলুয়া গ্রামের আবুল হোসেনের সঙ্গে পূর্ব বিরোধ ছিল একই গ্রামের মইজুদ্দিনের। এর জের ধরে ২০২০ সালের ২২ জুন বাড়ির পাশের পাটক্ষেতে ঘাস কাটার সময় আবুল হোসেনকে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করেন মইজুদ্দিন। এ সময় আবুল হোসেনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার পরের দিন তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৩ জুন নিহতের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক নিশিকান্ত সরকার একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।