ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

কামিন্দুর সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজি, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৩২৬

খেলা ডেস্ক: লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে আট উইকেট হারিয়ে তিনশ ২৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে শ্রীলঙ্কান দল। ফলে শিরোপা নিজেদের করে নিতে হলে স্বাগতিক পাকিস্তানকে তিনশ ২৬ রানের লক্ষ্য টপকাতে হবে। শুরু দিকে পাকিস্তানি বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে কিছুটা বিপাকে পড়লেও শেষ পর্যন্ত দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের এই দলটি।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্ক সূচনা করেছিল শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার। আভিষ্কা ফার্নান্ডো ও কামিন্দু মেন্ডিসের উদ্বোধনী জুটি স্কোরবোর্ডে ফিফটি পার করে দেয়। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে জোড়া উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। আভিষ্কা ৩৮ এবং কুশল মেন্ডিস মাত্র আট রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের গতি মন্থর হয়ে আসে।

তবে সেই প্রাথমিক চাপ কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কামিন্দু মেন্ডিস ও পাভান রত্নায়েকে। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন মিলে একশ ছেচল্লিশ রানের এক দুর্দান্ত জুটি গড়ে দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান। এই চমৎকার ইনিংস খেলার পথে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন কামিন্দু। তিনি একশ একত্রিশ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে আউট হন। অন্যদিকে পাভান রত্নায়েকে সচল রাখেন রান তোলার গতি এবং খেলেন সাতাত্তর রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস।

জুটি ভাঙার পর পাকিস্তানের পেসাররা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কার রান তোলায় কিছুটা লাগাম টানেন। দলটির সংগ্রহ একসময় দুই উইকেটে দুইশ পঞ্চান্ন থেকে হঠাৎ আট উইকেটে তিনশ সাতে নেমে আসে। তা সত্ত্বেও শেষ দিকের ব্যাটারদের কল্যাণে নির্ধারিত ওভার শেষে তিনশ পঁচিশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয় দলটি। পাকিস্তানের পক্ষে সফল বোলারদের মধ্যে শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, সালমান আগা ও হারিস রউফ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫

error: Content is protected !!

কামিন্দুর সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজি, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৩২৬

আপডেট টাইম : ৪৭ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

খেলা ডেস্ক: লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে আট উইকেট হারিয়ে তিনশ ২৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে শ্রীলঙ্কান দল। ফলে শিরোপা নিজেদের করে নিতে হলে স্বাগতিক পাকিস্তানকে তিনশ ২৬ রানের লক্ষ্য টপকাতে হবে। শুরু দিকে পাকিস্তানি বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে কিছুটা বিপাকে পড়লেও শেষ পর্যন্ত দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের এই দলটি।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্ক সূচনা করেছিল শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার। আভিষ্কা ফার্নান্ডো ও কামিন্দু মেন্ডিসের উদ্বোধনী জুটি স্কোরবোর্ডে ফিফটি পার করে দেয়। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে জোড়া উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। আভিষ্কা ৩৮ এবং কুশল মেন্ডিস মাত্র আট রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের গতি মন্থর হয়ে আসে।

তবে সেই প্রাথমিক চাপ কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কামিন্দু মেন্ডিস ও পাভান রত্নায়েকে। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন মিলে একশ ছেচল্লিশ রানের এক দুর্দান্ত জুটি গড়ে দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান। এই চমৎকার ইনিংস খেলার পথে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন কামিন্দু। তিনি একশ একত্রিশ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে আউট হন। অন্যদিকে পাভান রত্নায়েকে সচল রাখেন রান তোলার গতি এবং খেলেন সাতাত্তর রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস।

জুটি ভাঙার পর পাকিস্তানের পেসাররা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কার রান তোলায় কিছুটা লাগাম টানেন। দলটির সংগ্রহ একসময় দুই উইকেটে দুইশ পঞ্চান্ন থেকে হঠাৎ আট উইকেটে তিনশ সাতে নেমে আসে। তা সত্ত্বেও শেষ দিকের ব্যাটারদের কল্যাণে নির্ধারিত ওভার শেষে তিনশ পঁচিশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয় দলটি। পাকিস্তানের পক্ষে সফল বোলারদের মধ্যে শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, সালমান আগা ও হারিস রউফ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।