ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর কাছে বড় নির্মাণকাজ চলছে- দেখা গেল স্যাটেলাইট চিত্রে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন এবং সংরক্ষণের ঘাঁটিতে নতুন করে বড় ধরনের অবকাঠামোগত কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পাওয়া বেশ কিছু স্যাটেলাইট চিত্রের বিস্তারিত বিশ্লেষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ এবং দেশের সামগ্রিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে তেহরানের আশপাশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিকাঞ্চলগুলোতে নির্মাণকাজের গতি বেশ লক্ষণীয়। এসব ঘাঁটিতে কেবল মেরামতের কাজই চলছে না, বরং নতুন বাঙ্কার ও সংরক্ষণাগার তৈরির ইঙ্গিতও মিলছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরানের এই সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে গত বছরগুলোতে একাধিকবার বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমে ইরানি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। বিশেষ করে ইসরায়েলি বাহিনীর নিখুঁত বিমান হামলায় এসব অঞ্চলের কিছু স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল। বর্তমান পুনর্নির্মাণ প্রচেষ্টাকে তেহরানের প্রতিরক্ষা শক্তি পুনরুদ্ধারের একটি বড় কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা তাদের আঞ্চলিক প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়তা করবে।

তবে এই নতুন নির্মাণকাজ এবং মেরামতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত মন্তব্য বা ব্যাখ্যা দেয়নি ইরানি কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমা দেশগুলোর গোয়েন্দা বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা পুরো পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। এই ধরনের সামরিক প্রস্তুতি ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর কাছে বড় নির্মাণকাজ চলছে- দেখা গেল স্যাটেলাইট চিত্রে

error: Content is protected !!

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর কাছে বড় নির্মাণকাজ চলছে- দেখা গেল স্যাটেলাইট চিত্রে

আপডেট টাইম : ৯ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন এবং সংরক্ষণের ঘাঁটিতে নতুন করে বড় ধরনের অবকাঠামোগত কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পাওয়া বেশ কিছু স্যাটেলাইট চিত্রের বিস্তারিত বিশ্লেষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ এবং দেশের সামগ্রিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে তেহরানের আশপাশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিকাঞ্চলগুলোতে নির্মাণকাজের গতি বেশ লক্ষণীয়। এসব ঘাঁটিতে কেবল মেরামতের কাজই চলছে না, বরং নতুন বাঙ্কার ও সংরক্ষণাগার তৈরির ইঙ্গিতও মিলছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরানের এই সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে গত বছরগুলোতে একাধিকবার বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমে ইরানি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। বিশেষ করে ইসরায়েলি বাহিনীর নিখুঁত বিমান হামলায় এসব অঞ্চলের কিছু স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল। বর্তমান পুনর্নির্মাণ প্রচেষ্টাকে তেহরানের প্রতিরক্ষা শক্তি পুনরুদ্ধারের একটি বড় কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা তাদের আঞ্চলিক প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়তা করবে।

তবে এই নতুন নির্মাণকাজ এবং মেরামতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত মন্তব্য বা ব্যাখ্যা দেয়নি ইরানি কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমা দেশগুলোর গোয়েন্দা বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা পুরো পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। এই ধরনের সামরিক প্রস্তুতি ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।