ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

ধর্ম ডেস্ক: ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বর্তমান সময়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যম হিসেবে স্মার্টফোনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে প্রতিদিনের ইবাদত হিসেবে মুঠোফোনের অ্যাপস ব্যবহার করে কোরআন তিলাওয়াত করে থাকেন। তবে পবিত্র এই গ্রন্থ পাঠের ক্ষেত্রে পবিত্রতা বা অজু থাকা জরুরি কি না, তা নিয়ে প্রায়ই সাধারণ মানুষের মনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন জাগে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র হওয়ায় এর শরয়ী বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা অনেকেরই অজানা থাকে।

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, মুঠোফোনে কোরআন তিলাওয়াত করার ক্ষেত্রে সাধারণ কাগজের কোরআনের বিধান থেকে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে স্ক্রিনের গ্লাসটি একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে, যার ফলে ব্যবহারকারী সরাসরি মূল হরফ স্পর্শ করেন না। মূলত এই যন্ত্রের স্ক্রিনে আয়াতের লেখাগুলো প্রতিফলিত হয় এবং কাচের পর্দার মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সরাসরি হরফ স্পর্শ না করার কারণে এই বিশেষ মাধ্যমের ক্ষেত্রে বিধান কিছুটা সহজ করা হয়েছে।

অবশ্য অজু ছাড়া মুঠোফোনে কোরআন পড়া জায়েজ হলেও, তিলাওয়াতের সর্বোচ্চ আদব ও পবিত্রতা রক্ষা করা সর্বদা উত্তম বলে বিবেচিত হয়। পবিত্র কোরআন আল্লাহর বাণী হওয়ায় এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। তাই সম্ভব হলে পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে এবং অজুসহকারে তিলাওয়াত করা অধিক সওয়াবের কাজ বলে গণ্য করা হয়। তবে কোনো কারণে অজু না থাকলে শুধু চোখের দৃষ্টি বা ইশারার মাধ্যমেও স্ক্রিন থেকে তিলাওয়াত করা সম্ভব।

পরিশেষে, বর্তমান যুগের এই আধুনিক সুযোগটি ধর্মীয় জ্ঞান চর্চাকে আরও সহজ করে তুলেছে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো সময় ও পরিস্থিতিতে মানুষ সহজেই পবিত্র কালাম পড়তে পারছে। তবে শরিয়তের মূল চেতনা বজায় রেখে এবং যথাযথ আদব রক্ষা করে এই ডিজিটাল মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন ধর্মীয় গবেষকরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

ধর্ম ডেস্ক: ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বর্তমান সময়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যম হিসেবে স্মার্টফোনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে প্রতিদিনের ইবাদত হিসেবে মুঠোফোনের অ্যাপস ব্যবহার করে কোরআন তিলাওয়াত করে থাকেন। তবে পবিত্র এই গ্রন্থ পাঠের ক্ষেত্রে পবিত্রতা বা অজু থাকা জরুরি কি না, তা নিয়ে প্রায়ই সাধারণ মানুষের মনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন জাগে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র হওয়ায় এর শরয়ী বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা অনেকেরই অজানা থাকে।

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, মুঠোফোনে কোরআন তিলাওয়াত করার ক্ষেত্রে সাধারণ কাগজের কোরআনের বিধান থেকে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে স্ক্রিনের গ্লাসটি একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে, যার ফলে ব্যবহারকারী সরাসরি মূল হরফ স্পর্শ করেন না। মূলত এই যন্ত্রের স্ক্রিনে আয়াতের লেখাগুলো প্রতিফলিত হয় এবং কাচের পর্দার মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সরাসরি হরফ স্পর্শ না করার কারণে এই বিশেষ মাধ্যমের ক্ষেত্রে বিধান কিছুটা সহজ করা হয়েছে।

অবশ্য অজু ছাড়া মুঠোফোনে কোরআন পড়া জায়েজ হলেও, তিলাওয়াতের সর্বোচ্চ আদব ও পবিত্রতা রক্ষা করা সর্বদা উত্তম বলে বিবেচিত হয়। পবিত্র কোরআন আল্লাহর বাণী হওয়ায় এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। তাই সম্ভব হলে পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে এবং অজুসহকারে তিলাওয়াত করা অধিক সওয়াবের কাজ বলে গণ্য করা হয়। তবে কোনো কারণে অজু না থাকলে শুধু চোখের দৃষ্টি বা ইশারার মাধ্যমেও স্ক্রিন থেকে তিলাওয়াত করা সম্ভব।

পরিশেষে, বর্তমান যুগের এই আধুনিক সুযোগটি ধর্মীয় জ্ঞান চর্চাকে আরও সহজ করে তুলেছে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো সময় ও পরিস্থিতিতে মানুষ সহজেই পবিত্র কালাম পড়তে পারছে। তবে শরিয়তের মূল চেতনা বজায় রেখে এবং যথাযথ আদব রক্ষা করে এই ডিজিটাল মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন ধর্মীয় গবেষকরা।