দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯৪
বার পঠিত
আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বই উপহার দিলেন সিরাজুল ইসলাম
মোঃ ইকবাল হোসেনঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বিভিন্ন ধরনের বই উপহার দিয়েছেন মো. সিরাজুল ইসলাম। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। মো. সিরাজুল ইসলাম উপজেলার দিগনগর গ্রামের সাবেক বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি আলফাডাঙ্গার বাকাইল এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মোক্তার হোসেন মাস্টারের পঞ্চম পুত্র । বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপক (হিসাব) হিসেবে কর্মরত আছেন। জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বইগুলো উপহার দেন তিনি। তার এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও পাঠকরা। একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গড়ে তুলতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বই উপহার দেওয়ার এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে জ্ঞানচর্চার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বই মানুষের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বাড়ায় তিনি আরো জানান ভবিষ্যতেও আরো অবদান রাখবে। সব সময় সুযোগ পেলেই সমাজের কল্যাণে কিছু করার চেষ্টা করি। প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বই দিতে পেরে ভালো লাগছে।” সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তার এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
মোঃ ইকবাল হোসেনঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বিভিন্ন ধরনের বই উপহার দিয়েছেন মো. সিরাজুল ইসলাম। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।
মো. সিরাজুল ইসলাম উপজেলার দিগনগর গ্রামের সাবেক বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি আলফাডাঙ্গার বাকাইল এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মোক্তার হোসেন মাস্টারের পঞ্চম পুত্র । বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপক (হিসাব) হিসেবে কর্মরত আছেন।
জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বইগুলো উপহার দেন তিনি। তার এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও পাঠকরা। একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গড়ে তুলতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বই উপহার দেওয়ার এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে জ্ঞানচর্চার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বই মানুষের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বাড়ায় তিনি আরো জানান ভবিষ্যতেও আরো অবদান রাখবে। সব সময় সুযোগ পেলেই সমাজের কল্যাণে কিছু করার চেষ্টা করি। প্রেসক্লাব লাইব্রেরিতে বই দিতে পেরে ভালো লাগছে।”
সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তার এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।