ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ভাংচুর-লুটপাট, আটক-৭

বোয়ালমারীতে দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ আহত ২০

  • ফরিদপুর অফিস
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০
  • ৩৬৭ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার শেখর ইউনিয়নের চরশেখর ও দূর্গাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত, ১৫-২০ টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উভয় পক্ষের ছয়জনকে আটক করেছে। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল মধুখালী সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. আনিচুজ্জামান পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা যুবদলের সাব্কে সভাপতি, শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রইসুল ইসলাম পলাশের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ রয়েছে। দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে শনিবার প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়। ওইদিন এক পর্যায়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এর জের ধরে রবিবার সকালে ঘোষণা দিয়েই দু’পক্ষের প্রায় ৫ শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র সঞ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময়ও ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মধ্যদিয়ে সংঘর্ষ চলাকালে নারী-পুরুষসহ প্রায় ২০জন আহত ও ১৫-২০ টি বাড়িতে ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

হামলায় গুরুতর আহত চর শেখর গ্রামের বাবুল, বাবলু মিয়া, দূর্গাপুর গ্রামের শিমুল মোল্যা, বিলাশ মিয়া ও মোর্শেদা বেগমসহ মোট ১৪ জনকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাবুল, শিমুল ও বাবলুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বোয়ালমারী থানার ওসি (তদন্ত) মো. আবুল খায়ের বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ভাংচুর-লুটপাট, আটক-৭

বোয়ালমারীতে দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ আহত ২০

আপডেট টাইম : ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার শেখর ইউনিয়নের চরশেখর ও দূর্গাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত, ১৫-২০ টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উভয় পক্ষের ছয়জনকে আটক করেছে। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল মধুখালী সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. আনিচুজ্জামান পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা যুবদলের সাব্কে সভাপতি, শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রইসুল ইসলাম পলাশের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ রয়েছে। দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে শনিবার প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়। ওইদিন এক পর্যায়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এর জের ধরে রবিবার সকালে ঘোষণা দিয়েই দু’পক্ষের প্রায় ৫ শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র সঞ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময়ও ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মধ্যদিয়ে সংঘর্ষ চলাকালে নারী-পুরুষসহ প্রায় ২০জন আহত ও ১৫-২০ টি বাড়িতে ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

হামলায় গুরুতর আহত চর শেখর গ্রামের বাবুল, বাবলু মিয়া, দূর্গাপুর গ্রামের শিমুল মোল্যা, বিলাশ মিয়া ও মোর্শেদা বেগমসহ মোট ১৪ জনকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাবুল, শিমুল ও বাবলুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বোয়ালমারী থানার ওসি (তদন্ত) মো. আবুল খায়ের বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।