ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

আল্ট্রাসনোগ্রাম-ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার নষ্ট, বাড়তি খরচ রোগীদের

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার যন্ত্র অনেক দিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। সেবা না পেয়ে বেসরকারি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে গিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে রোগীদের। এতে বেশি সমস্যায় পড়েছে গরিব মানুষেরা।

 

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শরীরে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে প্রয়োজন হয় ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার যন্ত্রের। ১০ মাস ধরে এই যন্ত্র নষ্ট হয়ে আছে। এ ছাড়া গত ১৬ দিন ধরে হাসপাতালের একটিমাত্র আল্ট্রাসনোগ্রাম যন্ত্রও নষ্ট হয়ে আছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে দরিদ্র রোগীরা। মেশিন দুটি সংস্কারে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও প্রতিকার মিলছে না।

 

হাসপাতালে সেবা নিতে আসা শফিকুল ইসলাম নামের একজন রোগী বলেন, ‘এই হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে লাগে মাত্র ২০০ টাকা। কিন্তু বেসরকারি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে খরচ হয় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। এ ছাড়া শহরে আসা-যাওয়া করতে আরও টাকা খরচ হয়। আসা-যাওয়ার কষ্ট তো আছেই। এত টাকা জোগাড় করতে কষ্ট হয়।

 

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের ইনচার্জ আব্দুর রব চৌধুরী বলেন, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের সমস্যার বিষয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুটি চিঠি দেওয়া হয়। তারা মেশিনের সমস্যা সমাধানে গড়িমসি করছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন ২৫টি থেকে ৩০টি পর্যন্ত আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। যেসব রোগীর করা হয়, তাদের বেশির ভাগই আর্থিকভাবে অসচ্ছল।’

 

 

ষাটোর্ধ্ব রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে অসুস্থ। হাসপাতালের বহির্বিভাগে গেলে চিকিৎসক তাঁকে ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরীক্ষার জন্য হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে গিয়ে জানতে পারেন, হাসপাতালের একটিমাত্র ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার নষ্ট। এখানে রোগ নির্ণয় করালে ২৫০ টাকায় হয়ে যেত, এখন বেসরকারি ল্যাবে খরচ হবে ৮০০ টাকা।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

error: Content is protected !!

আল্ট্রাসনোগ্রাম-ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার নষ্ট, বাড়তি খরচ রোগীদের

আপডেট টাইম : ০৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার যন্ত্র অনেক দিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। সেবা না পেয়ে বেসরকারি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে গিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে রোগীদের। এতে বেশি সমস্যায় পড়েছে গরিব মানুষেরা।

 

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শরীরে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে প্রয়োজন হয় ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার যন্ত্রের। ১০ মাস ধরে এই যন্ত্র নষ্ট হয়ে আছে। এ ছাড়া গত ১৬ দিন ধরে হাসপাতালের একটিমাত্র আল্ট্রাসনোগ্রাম যন্ত্রও নষ্ট হয়ে আছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে দরিদ্র রোগীরা। মেশিন দুটি সংস্কারে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও প্রতিকার মিলছে না।

 

হাসপাতালে সেবা নিতে আসা শফিকুল ইসলাম নামের একজন রোগী বলেন, ‘এই হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে লাগে মাত্র ২০০ টাকা। কিন্তু বেসরকারি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে খরচ হয় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। এ ছাড়া শহরে আসা-যাওয়া করতে আরও টাকা খরচ হয়। আসা-যাওয়ার কষ্ট তো আছেই। এত টাকা জোগাড় করতে কষ্ট হয়।

 

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের ইনচার্জ আব্দুর রব চৌধুরী বলেন, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের সমস্যার বিষয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুটি চিঠি দেওয়া হয়। তারা মেশিনের সমস্যা সমাধানে গড়িমসি করছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন ২৫টি থেকে ৩০টি পর্যন্ত আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। যেসব রোগীর করা হয়, তাদের বেশির ভাগই আর্থিকভাবে অসচ্ছল।’

 

 

ষাটোর্ধ্ব রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে অসুস্থ। হাসপাতালের বহির্বিভাগে গেলে চিকিৎসক তাঁকে ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরীক্ষার জন্য হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে গিয়ে জানতে পারেন, হাসপাতালের একটিমাত্র ইলেকট্রোলাইট অ্যানালাইজার নষ্ট। এখানে রোগ নির্ণয় করালে ২৫০ টাকায় হয়ে যেত, এখন বেসরকারি ল্যাবে খরচ হবে ৮০০ টাকা।


প্রিন্ট