ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ বাঘায় র‌্যাব কর্তৃক ২ জন অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo গোমস্তাপুরে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু Logo কালুখালীতে গোসল করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু Logo ফরিদপুর শহর ‌কৃষকলীগের বৃক্ষরোপণ ‌ও কর্মী সভা অনুষ্ঠিত Logo গোয়ালন্দে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত Logo তানোরে বঙ্গবন্ধু অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন Logo দেড় ঘণ্টার নোটিশে ইবির হল ছাড়ার নির্দেশ, বিপাকে শিক্ষার্থীরা Logo সদরপুরে মিথ্যা-ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে ভাষাণচর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন Logo বোয়ালমারীতে অবৈধভাবে সরকারি জমিতে পাকা স্থাপনা বানানোর অভিযোগ Logo ভাঙ্গায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রস্তুতি, ছত্রভঙ্গঃ আটক ১০
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে মাছ ধরার উপকরণ বেচা কেনার ধুম

বন্যার পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে খাল বিল নদ নদীতে দেশিও বিভিন্ন প্রাজাতির মাছের দেখা মিলেছে। মাছ ধরতে প্রয়োজন হয় বাঁশের তৈরি খোলশান, পুঠা, চাঁই, ঘুণি, দোয়ার। চিংড়ি সহ ছোট মাছ ধরতে খোলশানের চাহিদা ব্যাপক। এ শিল্পকে কুটির শিল্পের সঙ্গে তুলনা করে হস্তশিল্প কারিগররা।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহি আহসানগঞ্জ, বান্দাইখারা সমশপাড়া বাজারে জমজমাট হয়েছে খলশান ও চায়ের    বজার। প্রায় ৫২-পঞ্চাশ বছর ধরে এই এলাকার বাজার গুলোতে খোলশানের বেচা কেনা চলে আসছে। সপ্তাহে বৃহস্পতি ও শুক্রবার হাটে হাজার হাজার মাছ ধরার খোলশান খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হয়।

গত বৃহস্পতিবার বাজার ঘুরে দেখা যায় নওগাঁর নিম্নাঞ্চল আত্রাই, সমশপারা, কাশিয়াবাড়ি, কালিকাপুর, নাটোরের নলডাঙ্গাসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট মাছ ধরার এ ফাদ কিনতে এসেছেন পাইকারি ব্যাবসায়ি ও জেলেরা। আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অনেক পরিবার খোলশান, চাঁয় ও দুয়ারী তৈরি করে জীবীকা নির্বাহ করছে। চৈত্র মাস থেকে কারিগররা এ ফাদ তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেন।

বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে তারা বছরের ছয় মাস এসব মাছ ধরার ফাদ তৈরির কাজে সময় পার করেন। বিভিন্ন জাতের বাঁশ দিয়ে এ ফাদ তৈরি করে তারা। একটি বাঁশ দিয়ে ১০-১৫টি খোলশান তৈরি করা যায়। একজন শ্রমিক একদিনে পাঁচ থেকে দশটি এবং প্রাকার ভেদে কম বেশি খোলশান তৈরি করতে পারে। বাজারে মান ভেদে কুড়িটি খোলশান দুই থেকে আরাই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। এসব ফাদ তৈরির প্রতিটি বাঁশ ৩০০-৩৫০ টাকায় কেনা হয়ে থাকে।

শাহাগোলা ইউনিয়নের সুবর্ণকুন্ড গ্রামের নিরানজন ও শুকুমার বলেন, এসব খোলশান আমাদের কাছে থেকে পাইকাররা কিনে বিভিন্ন জেলায় বিক্রির জন্য পাঠান। এ বছর খোলশানের বাজার দর আন্য বছরের চেয়ে বেশি হওয়ায় লাভের আশা করা যাচ্ছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ বাঘায় র‌্যাব কর্তৃক ২ জন অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

error: Content is protected !!

নওগাঁর আত্রাইয়ে মাছ ধরার উপকরণ বেচা কেনার ধুম

আপডেট টাইম : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

বন্যার পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে খাল বিল নদ নদীতে দেশিও বিভিন্ন প্রাজাতির মাছের দেখা মিলেছে। মাছ ধরতে প্রয়োজন হয় বাঁশের তৈরি খোলশান, পুঠা, চাঁই, ঘুণি, দোয়ার। চিংড়ি সহ ছোট মাছ ধরতে খোলশানের চাহিদা ব্যাপক। এ শিল্পকে কুটির শিল্পের সঙ্গে তুলনা করে হস্তশিল্প কারিগররা।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহি আহসানগঞ্জ, বান্দাইখারা সমশপাড়া বাজারে জমজমাট হয়েছে খলশান ও চায়ের    বজার। প্রায় ৫২-পঞ্চাশ বছর ধরে এই এলাকার বাজার গুলোতে খোলশানের বেচা কেনা চলে আসছে। সপ্তাহে বৃহস্পতি ও শুক্রবার হাটে হাজার হাজার মাছ ধরার খোলশান খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হয়।

গত বৃহস্পতিবার বাজার ঘুরে দেখা যায় নওগাঁর নিম্নাঞ্চল আত্রাই, সমশপারা, কাশিয়াবাড়ি, কালিকাপুর, নাটোরের নলডাঙ্গাসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট মাছ ধরার এ ফাদ কিনতে এসেছেন পাইকারি ব্যাবসায়ি ও জেলেরা। আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অনেক পরিবার খোলশান, চাঁয় ও দুয়ারী তৈরি করে জীবীকা নির্বাহ করছে। চৈত্র মাস থেকে কারিগররা এ ফাদ তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেন।

বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে তারা বছরের ছয় মাস এসব মাছ ধরার ফাদ তৈরির কাজে সময় পার করেন। বিভিন্ন জাতের বাঁশ দিয়ে এ ফাদ তৈরি করে তারা। একটি বাঁশ দিয়ে ১০-১৫টি খোলশান তৈরি করা যায়। একজন শ্রমিক একদিনে পাঁচ থেকে দশটি এবং প্রাকার ভেদে কম বেশি খোলশান তৈরি করতে পারে। বাজারে মান ভেদে কুড়িটি খোলশান দুই থেকে আরাই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। এসব ফাদ তৈরির প্রতিটি বাঁশ ৩০০-৩৫০ টাকায় কেনা হয়ে থাকে।

শাহাগোলা ইউনিয়নের সুবর্ণকুন্ড গ্রামের নিরানজন ও শুকুমার বলেন, এসব খোলশান আমাদের কাছে থেকে পাইকাররা কিনে বিভিন্ন জেলায় বিক্রির জন্য পাঠান। এ বছর খোলশানের বাজার দর আন্য বছরের চেয়ে বেশি হওয়ায় লাভের আশা করা যাচ্ছে।