ঢাকা , বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পূর্বভাটদী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বহাল রাখার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন Logo বিভিন্ন অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী Logo সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার Logo ভোটার ২৪৮০, এক ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ১২টি, একটি বুথে শূন্য ভোট Logo নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিদ্যুৎ বিভাগের অনলাইন কর্মশালা Logo প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগঃ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের বড় ব্যবধানে জয়লাভ Logo আলিপুরে আরসিসি ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন পৌর মেয়র Logo কেন্দ্রে শুধু ভোটার নেই, অন্য সব ঠিক আছে Logo নাটোরে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারীকে হাতুড়িপেটার অভিযোগ Logo ভূরুঙ্গামারীতে স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

তানোরে বাঁধের গাছ নিধনের মহোৎসব

রাজশাহীর তানোর-মোহনপুর সীমান্তের বুরুজ এলাকায় শিব নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বন বিভাগের রোপিত কয়েক হাজার গাছ নিধন করা হয়েছে। এতে বৃক্ষরাজিতে পরিপুর্ণ এলাকা এখন ধুধু মরুভুমিতে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পড়েছে। এভাবে নির্বিচারে পরিপক্ক-অপরিপক্ক গাছ কাটায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সুশিল সমাজ।
জানা গেছে, তানোর -মোহনপুরের সাীমান্ত সংলগ্ন বিলকুমারি বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বুরুজ এলাকায় প্রায় তিন কিলোমিটারের গাছ কেটে ফাকা করে দেয়া হয়েছে। এসব এলাকা প্রচন্ড খরাপ্রবণ হওয়ায়  পরিবেশবিদগণ বেশি বেশি গাছ রোপণের পরামর্শ দিচ্ছেন। অথচ বন বিভাগ সেই নির্দেশনা অমান্য করে ছোট-বড় কয়েক হাজার গাছ কেটে মরু প্রান্তরে পরিনত করেছে।
জানা গেছে, গত এপ্রিল মাস থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান।  এ সময় ৪০ থেকে  ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত্ তাপমাত্রা বিরাজমান ছিল। তীব্র তাপদহের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের অন্যতম কারন গাছ নিধন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। কিন্ত্ত এমন তাপপ্রবাহের মধ্যেই বাঁধের গাছ কেটে সাবাড় করেছে বন বিভাগ।
স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল, মাসুদ সৈকত ও সোহেল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শ্রমিকরা কাজ করে বাধের গাছের ছায়াতলে বসে শরীর জিড়িয়ে নিতেন। ছোট-বড় কয়েক হাজার গাছ নিধন করেছে। এখন বাধ  মরু ভূমিতে পরিনত হয়েছে। গাছ কাটার পর বাধের সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মোহনপুর বন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান বলেন, বন বিভাগের সামাজিক কর্মসূচির আওতায় গাছগুলো রোপণ করা হয়েছিল। রোপনের পর দশ বছর হলে গাছ কাটতেই হবে। টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ কাটা হয়েছে। কত কিলোমিটার বাধের কত হাজার গাছ কাটা হয়েছে এবং টেন্ডারে সর্বোচ্চ দরদাতা কে ছিল জানতে চাইলে তিনি জানান, এসব বিভাগীয় অফিসে গিয়ে তথ্য নিতে হবে, আমার এ মুহূর্তে সরন নাই বলে এড়িয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন অফিসের বন সংরক্ষক মেহেদীজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, অফিসে চা খেতে আসেন সব তথ্য দেয়া হবে।
এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়শা সিদ্দিকা বলেন, বন বিভাগের সামাজিক কর্মসূচি থেকে গাছ রোপন করা হয় এবং ওই গাছের দশ বছর বয়স হলে কাটার নিয়ম আছে বলে আমাকে অবহিত করেছে। আরো কিছু তথ্য নিতে হলে বিভাগীয় বন অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন ইউএনও।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

পূর্বভাটদী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বহাল রাখার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

error: Content is protected !!

তানোরে বাঁধের গাছ নিধনের মহোৎসব

আপডেট টাইম : ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪
রাজশাহীর তানোর-মোহনপুর সীমান্তের বুরুজ এলাকায় শিব নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বন বিভাগের রোপিত কয়েক হাজার গাছ নিধন করা হয়েছে। এতে বৃক্ষরাজিতে পরিপুর্ণ এলাকা এখন ধুধু মরুভুমিতে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পড়েছে। এভাবে নির্বিচারে পরিপক্ক-অপরিপক্ক গাছ কাটায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সুশিল সমাজ।
জানা গেছে, তানোর -মোহনপুরের সাীমান্ত সংলগ্ন বিলকুমারি বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বুরুজ এলাকায় প্রায় তিন কিলোমিটারের গাছ কেটে ফাকা করে দেয়া হয়েছে। এসব এলাকা প্রচন্ড খরাপ্রবণ হওয়ায়  পরিবেশবিদগণ বেশি বেশি গাছ রোপণের পরামর্শ দিচ্ছেন। অথচ বন বিভাগ সেই নির্দেশনা অমান্য করে ছোট-বড় কয়েক হাজার গাছ কেটে মরু প্রান্তরে পরিনত করেছে।
জানা গেছে, গত এপ্রিল মাস থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান।  এ সময় ৪০ থেকে  ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত্ তাপমাত্রা বিরাজমান ছিল। তীব্র তাপদহের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের অন্যতম কারন গাছ নিধন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। কিন্ত্ত এমন তাপপ্রবাহের মধ্যেই বাঁধের গাছ কেটে সাবাড় করেছে বন বিভাগ।
স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল, মাসুদ সৈকত ও সোহেল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শ্রমিকরা কাজ করে বাধের গাছের ছায়াতলে বসে শরীর জিড়িয়ে নিতেন। ছোট-বড় কয়েক হাজার গাছ নিধন করেছে। এখন বাধ  মরু ভূমিতে পরিনত হয়েছে। গাছ কাটার পর বাধের সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মোহনপুর বন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান বলেন, বন বিভাগের সামাজিক কর্মসূচির আওতায় গাছগুলো রোপণ করা হয়েছিল। রোপনের পর দশ বছর হলে গাছ কাটতেই হবে। টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ কাটা হয়েছে। কত কিলোমিটার বাধের কত হাজার গাছ কাটা হয়েছে এবং টেন্ডারে সর্বোচ্চ দরদাতা কে ছিল জানতে চাইলে তিনি জানান, এসব বিভাগীয় অফিসে গিয়ে তথ্য নিতে হবে, আমার এ মুহূর্তে সরন নাই বলে এড়িয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন অফিসের বন সংরক্ষক মেহেদীজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, অফিসে চা খেতে আসেন সব তথ্য দেয়া হবে।
এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়শা সিদ্দিকা বলেন, বন বিভাগের সামাজিক কর্মসূচি থেকে গাছ রোপন করা হয় এবং ওই গাছের দশ বছর বয়স হলে কাটার নিয়ম আছে বলে আমাকে অবহিত করেছে। আরো কিছু তথ্য নিতে হলে বিভাগীয় বন অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন ইউএনও।