ঢাকা , সোমবার, ১৩ মে ২০২৪, ৩০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মধুখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকের হেলপার নিহত Logo সদরপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo ইতালির রোমের মন্তে রতন্দো‘তে বিমাসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি ফরিদপুরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের Logo গোমস্তাপুরে সিএজির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও তিন দিনের বিশেষ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo মন্দিরে অগ্নিসংযোগে শ্রমিকদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনিঃ তদন্ত কমিটি Logo তানোরে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে বিয়ের পরই তালাক, প্রতারক আটক Logo এসএসসি পরীক্ষায় ফেল, ছাদ থেকে লাফিয়ে আহত ছাত্রী মারা গেছে Logo বাঘায় মা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা Logo গোমস্তাপুরে ৮ শিক্ষকের মাদ্রাসায় ২ পরীক্ষার্থী, পাশ করেনি কেউ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় বাদাম চাষে ঝুঁকছে সদরপুরের কৃষকরা

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরাঞ্চলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাদাম চাষ। বিস্তীর্ণ পদ্মার চরজুড়ে সবুজ পাতায় দোল খাচ্ছে বাদামের গাছ। অল্প বিনিয়োগে লাভ বেশি হওয়ায় বাদাম চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। তবে সারাদেশে চলমান প্রচণ্ড তাপদাহ ও খরায় ফলন কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা চাষিদের। চরাঞ্চলে চাষ হওয়া অন্যান্য ফসলের তুলনায় বাদাম চাষে লাভ বেশি ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে বাদাম চাষে। উপজেলার দিয়ারা নারকেলবাড়িযা, চর নাসিরপুর, চর মানাইর, আকোটের চর ও ঢেউখালী এলাকায় বাদামের ব্যাপক আবাদ হয়েছে।

 

এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মণ পর্যন্ত বাদাম উৎপাদন হয়। প্রতি মণ বাদাম সাড়ে ৪ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাজারদরে বিক্রি হয়।

 

চর নাসিরপুর ইউনিয়নের চেরাক আলী হাজীর কান্দী গ্রামের কৃষক হাসান বেপারী জানান, আগে আমি সরিষা, তিলের চাষ করতাম, বাদাম চাষ লাভ জনক হওয়ায় এবছর আমি ৭ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে তবে খরার কারণে কিছুটা অসুবিধা হলেও লাভবান হবো।

 

অপর কৃষক একই ইউনিয়নের কাঁড়াল কান্দী গ্রামের আ: ছামাদ হাওলাদার বলেন, বাদাম চাষ করতে খরচ কম লাভ বেশি। তাই চর অঞ্চলের কৃষকেরা বাদামের চাষ বেশি করছে। এবার আমি ৩ বিঘা জমিতে বাদামের আবাদ করেছি। সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগিতা পেলে সামনে আরও বেশি করে আবাদ করব। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের বাদাম চাষের উদ্বুদ্ধ করা সহ সার্বিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়বে সবার। এমনটিই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিটুল রায় জানান, এ বছর উপজেলায় ৩ হাজার ২৮২ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হয়েছে। যা গেল বছরের তুলনায় ১৩০ হেক্টর বেশি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

মধুখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকের হেলপার নিহত

error: Content is protected !!

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় বাদাম চাষে ঝুঁকছে সদরপুরের কৃষকরা

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরাঞ্চলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাদাম চাষ। বিস্তীর্ণ পদ্মার চরজুড়ে সবুজ পাতায় দোল খাচ্ছে বাদামের গাছ। অল্প বিনিয়োগে লাভ বেশি হওয়ায় বাদাম চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। তবে সারাদেশে চলমান প্রচণ্ড তাপদাহ ও খরায় ফলন কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা চাষিদের। চরাঞ্চলে চাষ হওয়া অন্যান্য ফসলের তুলনায় বাদাম চাষে লাভ বেশি ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে বাদাম চাষে। উপজেলার দিয়ারা নারকেলবাড়িযা, চর নাসিরপুর, চর মানাইর, আকোটের চর ও ঢেউখালী এলাকায় বাদামের ব্যাপক আবাদ হয়েছে।

 

এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মণ পর্যন্ত বাদাম উৎপাদন হয়। প্রতি মণ বাদাম সাড়ে ৪ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাজারদরে বিক্রি হয়।

 

চর নাসিরপুর ইউনিয়নের চেরাক আলী হাজীর কান্দী গ্রামের কৃষক হাসান বেপারী জানান, আগে আমি সরিষা, তিলের চাষ করতাম, বাদাম চাষ লাভ জনক হওয়ায় এবছর আমি ৭ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে তবে খরার কারণে কিছুটা অসুবিধা হলেও লাভবান হবো।

 

অপর কৃষক একই ইউনিয়নের কাঁড়াল কান্দী গ্রামের আ: ছামাদ হাওলাদার বলেন, বাদাম চাষ করতে খরচ কম লাভ বেশি। তাই চর অঞ্চলের কৃষকেরা বাদামের চাষ বেশি করছে। এবার আমি ৩ বিঘা জমিতে বাদামের আবাদ করেছি। সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগিতা পেলে সামনে আরও বেশি করে আবাদ করব। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের বাদাম চাষের উদ্বুদ্ধ করা সহ সার্বিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়বে সবার। এমনটিই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিটুল রায় জানান, এ বছর উপজেলায় ৩ হাজার ২৮২ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হয়েছে। যা গেল বছরের তুলনায় ১৩০ হেক্টর বেশি।