ঢাকা , শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ফরিদপুরের সদরপুরে বৃষ্টিতে রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি

ফরিদপুরের সদরপুরে বৃষ্টিতে রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। চলতি রবি মৌসুমে বেশিরভাগ কৃষক মাঠে পেঁয়াজ, রসুন, গম, সরিষা ধনিয়া, মসুরি, কলাই, কালোজিরা ইত্যাদি বুনে ফেলেছেন। ইরিধানের বীজতলায় বীজ বপন করেছেন। মৌসুমের শুরুতে এমন অকাল বৃষ্টি তাদেরকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন তারা।

 

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে মুষল ধারার টানা বৃষ্টিতে রবি শস্যের জন্য প্রস্তুতকৃত নীচু জমি ও বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টি একটু কম থাকায় কেউ কেউ পাম্প লাগিয়ে পানি নিষ্কাষণ শুরু করেছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় সেচ বন্ধ করে দিয়েছেন।

 

উপজেলার ভাষানচর, চরবিষ্ণুপুর এলাকায় দানা পেঁয়াজ ও মুড়িকাটা পেঁয়াজের ব্যাপক চাষ হয়। এই এলাকার জাহাঙ্গীর মৃধা জানান, ৫ বিঘা দানা ও মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ করেছি। টানা ২ দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সবটা নষ্ট হয়ে যাবে। কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।

 

আমিরাবাদের কৃষক সমীর ফকির জানিয়েছেন, তিনি কলাই, ধনিয়া আর গম বুনেছেন। টানা বৃষ্টিতে আংশিক অথবা সম্পূর্ণ ক্ষতির আশংকা করছেন তিনি।

 

রামচন্দ্রপুর এলাকায় বেশ কিছু ধানের বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে। পাম্প লাগিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করেছেন কেউ কেউ। কিন্তু অব্যাহত বৃষ্টিতে তা বন্ধ রাখতে হয়েছে।

 

উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইসমাইল শরীফ জানিয়েছেন, এই মূহুর্তে রবিশস্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। দুই-তিন দিন না গেলে বোঝা যাবে না বৃষ্টিতে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে।

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ও শরীর গঠনে সহায়তা করেঃ -লিয়াকত সিকদার

error: Content is protected !!

ফরিদপুরের সদরপুরে বৃষ্টিতে রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

ফরিদপুরের সদরপুরে বৃষ্টিতে রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। চলতি রবি মৌসুমে বেশিরভাগ কৃষক মাঠে পেঁয়াজ, রসুন, গম, সরিষা ধনিয়া, মসুরি, কলাই, কালোজিরা ইত্যাদি বুনে ফেলেছেন। ইরিধানের বীজতলায় বীজ বপন করেছেন। মৌসুমের শুরুতে এমন অকাল বৃষ্টি তাদেরকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন তারা।

 

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে মুষল ধারার টানা বৃষ্টিতে রবি শস্যের জন্য প্রস্তুতকৃত নীচু জমি ও বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টি একটু কম থাকায় কেউ কেউ পাম্প লাগিয়ে পানি নিষ্কাষণ শুরু করেছিলেন, কিন্তু পরিস্থিতি অনুকুলে না থাকায় সেচ বন্ধ করে দিয়েছেন।

 

উপজেলার ভাষানচর, চরবিষ্ণুপুর এলাকায় দানা পেঁয়াজ ও মুড়িকাটা পেঁয়াজের ব্যাপক চাষ হয়। এই এলাকার জাহাঙ্গীর মৃধা জানান, ৫ বিঘা দানা ও মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ করেছি। টানা ২ দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সবটা নষ্ট হয়ে যাবে। কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।

 

আমিরাবাদের কৃষক সমীর ফকির জানিয়েছেন, তিনি কলাই, ধনিয়া আর গম বুনেছেন। টানা বৃষ্টিতে আংশিক অথবা সম্পূর্ণ ক্ষতির আশংকা করছেন তিনি।

 

রামচন্দ্রপুর এলাকায় বেশ কিছু ধানের বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে। পাম্প লাগিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করেছেন কেউ কেউ। কিন্তু অব্যাহত বৃষ্টিতে তা বন্ধ রাখতে হয়েছে।

 

উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইসমাইল শরীফ জানিয়েছেন, এই মূহুর্তে রবিশস্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। দুই-তিন দিন না গেলে বোঝা যাবে না বৃষ্টিতে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে।